বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ–শরণখোলা) আসন—একদিকে পানগুছি নদীর তীরঘেঁষা বরাট মোড়েলের নামকরণে মোরেলগঞ্জ, অন্যদিকে সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ অংশ নিয়ে শরণখোলা। দুটি উপজেলা, ২০ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসন।
আসন্ন ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ঘিরে পুরো এলাকা এখন ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে সয়লাব। স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, এটি তাদের দল ও প্রিয় নেতার প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।
এলাকার বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি কাজী খায়রুজ্জামান শিপনের ছবি সংবলিত বুকলেট, পোস্টার ও ফেস্টুনে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।
মোরেলগঞ্জ পৌরসভা ছাড়াও খুলনা–বাগেরহাট–শরণখোলা আঞ্চলিক বগি মহাসড়কের দুই পাশে ব্যানার, বিলবোর্ড ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। রঙ-বেরঙের এসব প্রচারণায় শোভা পাচ্ছে খালেদা জিয়ার ছবি ও বিভিন্ন দাবির স্লোগান।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, মোরেলগঞ্জ-শরণখোলার বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নেতাকর্মীরা পোস্টার-ব্যানার লাগাতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল হক বাবুল, শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন পঞ্চায়েত, মোরেলগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক রাসেল আল ইসলামসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী কাজী খায়রুজ্জামান শিপনের ছবি সম্বলিত পোস্টারও সাঁটিয়েছেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা বিএনপি আলাদা কর্মসূচিও ঘোষণা করেছে।
মোরেলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল হক বাবুল বলেন, “এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যানার-পোস্টার লাগানো হয়েছে। পুরো মোরেলগঞ্জ এখন উৎসবমুখর।”
মোরেলগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন বলেন, “বাগেরহাট-৪ আসনে দুঃসময়ে দলের হাল ধরে রেখেছেন ত্যাগী নেতা কাজী খায়রুজ্জামান শিপন। গত ১৭ বছর তিনি নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন। এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে বিপুল উদ্দীপনা কাজ করছে।”
তিনি আরও জানান, পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডেই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
একুশে সংবাদ/বা.প্র/এ.জে