AB Bank
  • ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

আনারস চাষে ৮০ লাখ টাকা আয়ের আশা কৃষি উদ্যোক্তা মিলনের


Ekushey Sangbad
আবুল বাসার, সালথা, ফরিদপুর
০৯:০১ পিএম, ২ জুন, ২০২৬

আনারস চাষে ৮০ লাখ টাকা আয়ের আশা কৃষি উদ্যোক্তা মিলনের

‎ফরিদপুরের সালথায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে আনারস চাষ করে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছেন কৃষি উদ্যোক্তা মিলন ফকির।

উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের যদুনন্দী গ্রামে দুটি প্লটে ৮ বিঘা জমিতে ক্যালেন্ডার ও জলডুগু জাতের আনারসের বাগান গড়ে তুলেছেন তিনি। তার এই উদ্যোগকে ফরিদপুর জেলায় বাণিজ্যিক আনারস চাষের নতুন সূচনা হিসেবে দেখছেন কৃষি সংশ্লিষ্টরা।

‎জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করে আসছেন মিলন ফকির। গত বছর শখের বসে বাড়ির ছাদে পরীক্ষামূলকভাবে আনারস চাষ শুরু করেন তিনি। ছাদে আনারস চাষে সফলতা পাওয়ার পর চলতি বছর বৃহৎ পরিসরে বাণিজ্যিকভাবে আনারস চাষের উদ্যোগ নেন।

এজন্য টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে ক্যালেন্ডার ও জলডুগু জাতের প্রায় ৮০ হাজার আনারসের চারা সংগ্রহ করে ৮ বিঘা জমিতে রোপণ করেন।

‎সোমবার (১ জুন), সরেজমিনে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ জমিজুড়ে সারিবদ্ধভাবে লাগানো হয়েছে আনারসের চারা। পরিচ্ছন্ন ও পরিচর্যাযুক্ত বাগানটি ইতোমধ্যে স্থানীয় কৃষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা বাগান দেখতে আসছেন এবং আনারস চাষ সম্পর্কে খোঁজখবর নিচ্ছেন।

‎স্থানীয় কৃষক কালাম বলেন, আমাদের এলাকায় আগে কখনো আনারস চাষ হতে দেখিনি। মিলন ফকিরের বাগান দেখে ভালো লাগছে। ফলন ভালো হলে আমরাও আনারস চাষে আগ্রহী হবো।

কৃষক মিলন ফকির বলেন, প্রথমে শখের বসে বাড়ির ছাদে কয়েকটি আনারস গাছ লাগাই। গাছে ভালো ফল আসায় সাহস পাই। এরপর বাণিজ্যিকভাবে আনারস চাষের সিদ্ধান্ত নিই। বর্তমানে ৮ বিঘা জমিতে আনারসের বাগান করেছি। চারা সংগ্রহ, জমি প্রস্তুত ও পরিচর্যাসহ এ পর্যন্ত প্রায় ১৬ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। ফলন ভালো হলে প্রায় ৮০ লাখ টাকার আনারস বিক্রি করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।

‎তিনি আরও বলেন, আগামী বছর গাছে ফল আসবে। আনারসের পাশাপাশি চারা বিক্রিরও পরিকল্পনা রয়েছে। আমার এই উদ্যোগ সফল হলে এলাকার অন্যান্য কৃষকরাও আনারস চাষে আগ্রহী হবেন। কৃষি বিভাগের সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে চাষাবাদ সম্প্রসারণ করবো।

‎উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, সালথায় প্রথম বারের মতো ৮ বিঘা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আনারস চাষ করেছেন মিলন ফকির নামে এক কৃষি উদ্যক্তা।  যা ফল আবাদের নতুন সম্ভাবনার সূচনা করেছে। আমরা কৃষি অফিস থেকে পর্যাপ্ত কারিগরি পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। আমরা আশা করি,লাভজনক ফল ও ফসলের আবাদ প্রসার হোক এবং নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হোক।

‎স্থানীয় কৃষকদের মতে, প্রচলিত ফসলের বাইরে গিয়ে মিলন ফকিরের এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সফল হলে ফরিদপুর অঞ্চলে আনারস চাষের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং কৃষকদের জন্য আয়ের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!