AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

পিরিয়ডের ব্যথা কমাতে আদা চা কি কার্যকর?


Ekushey Sangbad
লাইফস্টাইল ডেস্ক
১০:২৫ পিএম, ৯ মে, ২০২৬

পিরিয়ডের ব্যথা কমাতে আদা চা কি কার্যকর?

মাসিক (পিরিয়ড) চলাকালীন ব্যথা কারও ক্ষেত্রে হালকা, আবার কারও ক্ষেত্রে তীব্র হতে পারে। এই ব্যথা কমানোর জন্য গরম সেঁক বা ব্যথানাশক ওষুধের পাশাপাশি নানা ঘরোয়া উপায়ও ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে আদা চাকেও অনেক সময় উপকারী বলা হয়।

তবে প্রশ্ন হলো, এই দাবির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি কতটা? চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

পিরিয়ডের ব্যথা কমাতে আদা চা কি কার্যকর?

বিশেষজ্ঞদের মতে, আদা চা মাসিকের ব্যথা কমাতে সহায়ক হতে পারে। আদায় থাকা জিঞ্জেরলসহ বিভিন্ন বায়োঅ্যাকটিভ উপাদানে প্রদাহবিরোধী ও ব্যথানাশক গুণ রয়েছে।

পিরিয়ডের ব্যথা সাধারণত অতিরিক্ত প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনের কারণে হয়, যা জরায়ুর সংকোচন ও প্রদাহ সৃষ্টি করে। আদা এই প্রদাহজনিত উপাদানের প্রভাব কমাতে সাহায্য করে, ফলে ব্যথা কিছুটা প্রশমিত হতে পারে।

ক্লিনিক্যাল পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, কিছু মহিলার ক্ষেত্রে আদা হালকা ব্যথানাশকের মতো কাজ করে। গরম আদা চা রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করে এবং আরামদায়ক অনুভূতি দেয়, যা জরায়ুর পেশী শিথিল করতে আরও সাহায্য করে। পিরিয়ডের সময় দিনে ১-২ বার এক কাপ আদা চা পান করা উপকারী হতে পারে।

আদা যেভাবে ব্যথা কমায়

আদার প্রদাহরোধী এবং ব্যথা উপশমকারী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। মাসিকের ব্যথা মূলত অতিরিক্ত প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনের কারণে হয়, যা জরায়ুর সংকোচন এবং প্রদাহ সৃষ্টি করে। আদা এই প্রদাহ সৃষ্টিকারী রাসায়নিকগুলো কমিয়ে দেয়, ফলে মাসিকের ব্যথা উপশম হয়।

পিরিয়ডের তীব্র ব্যথা নিরাময়ের উপায়

ব্যথানাশক: প্রেসক্রিপশন ছাড়া কেনা যায় এমন ব্যথানাশক পিরিয়ডের ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে। পিরিয়ড শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বা উপসর্গ দেখা দিলে ব্যথানাশকটি গ্রহণ করুন।

হরমোনজনিত জন্মনিয়ন্ত্রণ: মুখে খাওয়ার জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়িতে এমন হরমোন থাকে যা ডিম্বস্ফোটন প্রতিরোধ করে এবং পিরিয়ডের ব্যথার তীব্রতা কমায়।

সার্জারি: যদি আপনার মাসিকের ব্যথা এন্ডোমেট্রিওসিস বা ফাইব্রয়েডের মতো কোনো রোগের কারণে হয়, তাহলে আপনার ডাক্তার সমস্যাটির চিকিৎসা করতে এবং উপসর্গগুলো থেকে মুক্তি পেতে সার্জারির পরামর্শ দিতে পারেন।

আদার স্বাস্থ্য উপকারিতা ও ঝুঁকি

* বমি বমি ভাব দূর করে।

* কেমোথেরাপির পরবর্তী বমি বমি ভাব থেকে মুক্তি দেয়।

* গর্ভাবস্থায় মর্নিং সিকনেস কমাতে সাহায্য করে।

* পেট ফাঁপা ও গ্যাস প্রতিরোধ করে।

* কোষের ক্ষয় রোধ করে।

* রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস বা শ্বাসযন্ত্রের প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।

আদার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জন হপকিন্স মেডিসিন উল্লেখ করেছে যে, সাপ্লিমেন্টের মতো উচ্চ মাত্রায় আদা গ্রহণ করলে রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন, তবে যারা অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট থেরাপি (যেমন ওয়ারফারিন, অ্যাসপিরিন এবং অন্যান্য রক্ত ​​পাতলা করার ওষুধ) নিচ্ছেন, তাদের এটি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়াও, বেশি পরিমাণে আদা ইনসুলিনকে প্রভাবিত করে রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয় কি না, তা নিয়েও গবেষণা চলছে।

 

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!