ঢাকা শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২০, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
Ekushey Sangbad
Janata Bank
করোনাভাইরাস মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৩১ নির্দেশনা

সময়ের সাহসী সন্তান ও কর্মীবান্ধন নেতা সারওয়ার


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
অক্টোবর ২৪, ২০২০, ০৪:২৬ পিএম
সময়ের সাহসী সন্তান ও কর্মীবান্ধন নেতা সারওয়ার

এই প্রজন্মের সাহসী যোদ্ধা জননেত্রী শেখ হাসিনার অনুসারী আলহাজ্ব মোঃ সারওয়ার। ঢাকা দক্ষিণের ১৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। রাজধানীর কাঁঠাল বাগানে যার জন্ম। একজন দক্ষ সংগঠক, ক্রীড়ামোদী এবং রাজনীতির মাঠেও এক উদ্যোগী প্রাণ। 

চট্টগ্রাম মুসলিম হাইস্কুল ছাত্রাবাসের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, ছিলেন চট্টগ্রাম পাচলাইশ থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠ ও তরুণ প্রজন্মের সাথে রয়েছে তার নিবিড় সম্পর্ক।

তিনি '৯০-এর গণআন্দোলনে ছিলেন রাজপথে। '৯২ থেকে '৯৯ সাল পর্যন্ত ৫০নং ওয়ার্ড (বর্তমান ১৬ নং ওয়ার্ড) যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। 

বিএনপি জামায়াত জোট বিরোধী আন্দোলন এবং ১/১১ এর সরকার বিরোধী আন্দোলনেও রাজপথে সক্রিয় ছিলেন সারওয়ার। বাবা মরহুম আলহাজ্ব আলী আজগর ছিলেন বঙ্গবন্ধুর একনিষ্ঠ ভক্ত। বড়ভাই রেলওয়ে হাসপাতালের সহকারি সার্জন ডাঃ শাহারিয়ার শেখ হাসিনার পারিবারিক চিকিৎসক ছিলেন। '৮৮ এর বন্যায় মানুষের সাহায্যে ত্রাণ বিতরণ করতে গিয়ে তিনি প্রাণ দিয়েছিলেন বীরের মতো।

বাবা ও বড়ভাই এর রাজনৈতিক ভাবাদর্শের যোগ্য উত্তরসূরী হয়ে আজও রাজনীতিতে নিজেকে রেখেছেন নিবেদিত। অসাম্প্রদায়িক বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির তৃণমূল থেকে আসা সারওয়ার নিজ যোগ্যতায় নজর কেড়ে ছিলেন সাংসদ ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের। সাবেক ৫০ নং ওয়ার্ড (বর্তমান ১৬নং ওয়ার্ড) আওয়ামীলীগের ইউনিট সম্মেলনে ইউনিট সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর ওয়ার্ড কাউন্সিলের সম্মেলনে সাংসদ ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আবার তার নাম ঘোষণা করেন। এতে সে সময়ে আওয়ামীলীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সঞ্চয় হয়।

মোঃ সারওয়ার এ প্রজন্মের উদীয়মান তরুণ ও প্রবীণের সমন্বয়ক। বুদ্ধি-দীপ্ত চোখে মুখে ব্যক্তিত্বের উদ্ভাস। তিনি সাহসী স্পষ্টভাষী, নিরাহংকার, নিলোর্ভ কর্মী বান্ধন মানুষ। মন খুলে কথা বলার স্বভাবটি অকৃত্রিম। এই বৈশিষ্ট্যগুলো তাকে কর্মীবান্ধন নেতা হিসেবে পরিচিত করেছে। তিনি বিভিন্ন ক্রীড়া, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে ওতপ্রত ভাবে জড়িত। 

সময়ের সাহসী সন্তান সারওয়ার বিএনপি-জামায়াতের ধ্বংসাত্বক কর্মসূচীর প্রতিবাদে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন রাজপথে। যখন বিএনপির ছায়ায় জঙ্গীবাদীগোষ্ঠী বিপন্ন করে তুলেছিল নাগরিক জীবন, তখন রাজপথে মানুষের পাশে থেকেছেন অতন্ত্রপ্রহরীর মত। তার সক্রীয়তায়, ঐকান্তিক চেষ্টায় ১৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এখন অনেক অনেক সক্রিয়া ও শক্তিশালী।

রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে বলতে গিয়ে সারওয়ার বলেন, বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার এদেশকে ভালবেসেছিলেন, এদেশের জন্য রক্ত দিয়েছেন। আমরা বঙ্গবন্ধু এবং তার পরিবারের কাছে ঋণী। এই ঋণ শোক হবে শুধুমাত্র শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে পারলে।
বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া আমাদের প্রিয় দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। '৭৫ পরবর্তী সময়ে যখন নেতৃত্বের অভাব, দলের হাল ধরার মতো নেতার অভাব ছিল; ঠিক সেই মুহূর্তে অর্থাৎ ১৯৮১ সালে দুঃসময়ে দেশে এসে সভানেত্রীর দায়িত্ব নেন এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও আপসহীন, অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক রাজনীতির মূল স্রোতধারার প্রধান নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, আমি বঙ্গবন্ধু পরিবার এবং শেখ হাসিনার প্রতি অবিচল আস্থা রেখে বলছি যতদিন শেখ হাসিনার হাতে থাকবে বাংলাদেশ, ততদিন সুখে ও নিরাপদ থাকবে এদেশের মানুষ, এদেশের জনপদ।

একুশে সংবাদ/এআরএম