AB Bank
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
ekusheysangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিলেন শেখ হাসিনা


Ekushey Sangbad
SA Polash (এসএ পলাশ)
১১:৪০ এএম, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিলেন শেখ হাসিনা

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছিলেন, ‘একজন রাজনীতিবিদের কিছুটা হলেও বিবেক থাকে কিন্তু আমলাদের কোনো বিবেক থাকে না।’ জাতীয় পার্টির মহাসচিব অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক চুন্নু বলেছিলেন, ‘রাষ্ট্রপতি পদে আমলা চাই না। কেননা, রাজনৈতিক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি হলে তিনি রাজনীতির ভাষা বুঝতে পারবেন।’ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে এরুপ নানা রকম মন্তব্য করেছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ সুশীল সমাজের ব্যক্তিরা। 

মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

বিচক্ষণতার সাথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সমালোচনার দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিয়ে এমন একজনকে দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করলেন যিনি উচ্চ শিক্ষিত, চৌকস ও বুদ্ধি দীপ্ত এবং যার বর্ণাঢ্য জীবন শুধুই সাফল্যময়, সমালোচনাহীন। তিনি পাবনা শহরের জুবিলি ট্যাঙ্কপাড়ার মরহুম শরফুদ্দীন আনসারী এবং মোসাম্মৎ খায়রুন্নেছার ছেলে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। যিনি একাধারে একজন তৃণমূল রাজনীতিক, আইনজীবী, অধ্যাপক, সাংবাদিক, বিচারক এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক কমিশনার।

 

কেন রাষ্ট্রপতি হিসেবে সর্বত্তোম মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু?

  • একজন মুক্তিযোদ্ধা

পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দুঃশাসন, শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে মাতৃভূমিকে বাঁচাতে নিজের জীবন বাঁজি রেখে অস্ত্র তুলে নেন এদেশের সূর্যসন্তানরা। মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন সেই নির্ভীক সন্তানদের একজন। যিনি মাতৃভূমির ভালোবাসায় জীবন বাঁজি রেখে নিজের হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিলেন। ছাত্রাবস্থায় ভারত থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে তিনি পাবনায় স্বাধীন বাংলার পতাকার উত্তোলন করেন। 

 

  • বিভিন্ন সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ততা ও ত্যাগী রাজনৈতিক জীবন

সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সব সংগঠনই নেতা তৈরি করে। মানব কল্যাণে ভালো কাজ করাই এদের মূল লক্ষ্য। সংগঠনের ভালো কাজের মাধ্যমে দেশ, সমাজ ও মানুষ উপকৃত হয়। নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনের জন্য দীর্ঘ সময় সংগঠনের সাথে থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন ও অনেক ত্যাগ করার একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া পাড়ি দিতে হয়।

আর মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা ছাত্রপরিষদের পাবনা জেলার আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। একই বছর তিনি উপমহাদেশের সবচেয়ে প্রচীন সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অন্যতম ইউনিট পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হন। ১৯৭৪ সালে তিনি পাবনা জেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদ করায় তিনি গ্রেপ্তার হন এবং সাড়ে ৩ বছর কারাভোগ করেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিলের নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।

ছাত্রলীগ নেতা থেকে রাষ্ট্রপতি

মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ১৯৭৩-৭৫ সাল পর্যন্ত পাবনা জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সম্পাদক ও ১৯৭৮-৮২ সাল পর্যন্ত পাবনা জেলা পরিবার পরিকল্পনা সমিতির কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। পাবনা প্রেস ক্লাব ও অন্নদা গোবিন্দ পাবলিক লাইব্রেরির আজীবন সদস্য এই অসামান্য ব্যক্তিত্ব। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

 

  • গৌরবজ্জল ছাত্রজীবন

মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ১৯৬৬ সালে পাবনার এডওয়ার্ড কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি, ১৯৬৮ সালে এইচএসসি এবং ১৯৭১ সালে (অনুষ্ঠিত ১৯৭২ সালে) বিএসসি পাস করেন। পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৪ সালে মনোবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর এবং পাবনা শহীদ অ্যাডভোকেট আমিনুদ্দিন আইন কলেজ থেকে ১৯৭৫ সালে কৃতিত্বের সাথে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৮২ সালে বিসিএস (বিচার) ক্যাডার হয়ে কর্মজীবন শুরু করেন।

 

  • সাফল্যময় ও সমালোচনাহীন নিরেট কর্মজীবন

মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন পেশাগত জীবনে প্রথম দিকে অধুনালুপ্ত বাংলার বাণী পত্রিকার পাবনা জেলা প্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ পরবর্তীতে তিনি শেখ মুজিব হত্যা মামলায় আইন মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিযুক্ত সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮০-১৯৮২ সাল পর্যন্ত তিনি দৈনিক বাংলার বাণীর সাংবাদিক হিসেবেও কাজ করেন।এরপর ১৯৮২ সালে বিসিএস (বিচার) ক্যাডার সার্ভিসে যোগ দেন এই গুণিন। তিনি ১৯৯৫ ও ১৯৯৬ সালে পরপর দুইবার বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব নির্বাচিত হন। কর্মজীবনে তিনি সহকারী জজ, যুগ্ম জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ ও জেলা জজ হিসেবে বিভিন্ন জেলায় দায়িত্ব পালন করেন। শহীদ বুলবুল কলেজের অধ্যাপকও ছিলেন তিনি। বিচারকের বিভিন্ন পদে চাকরি শেষে ২৫ বছর পর ২০০৬ সালে জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে অবসরে যান তিনি।

মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ২০০৬ সালে শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান এবং ২০০৮ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।


২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পরপরই আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠীর উপর হামলা হয়। যাতে হত্যা, ধর্ষণ ও লুণ্ঠনের ঘটনা ঘটে। পরে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে ওসব ঘটনার তদন্তে কমিশন’ গঠন করেন, যার প্রধান ছিলেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।

 

২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দুদকের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিশ্বব্যাংকের কথিত পদ্মাসেতু সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে অন্যতম মুখ্য ভূমিকা পালন করা সাহাবুদ্দিন চু্প্পু অভিযোগটি মিথ্যা ও অন্তঃসারশূন্যতা প্রমাণে সমর্থ হন। তার দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদন কানাডা কোর্ট কর্তৃক সমর্থিত হয়।

 

মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। বর্তমানে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি প্রেষণে আইন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। চাকরির সময়কালে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির সদস্য, বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান এবং আরও অনেক কিছু সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

সাহাবুদ্দিন চুপ্পু নির্বাচিত হওয়ার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতাদের প্রতিক্রিয়া

রাষ্ট্রপতি হিসেবে মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে বেছে নেওয়ায় দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতারা।

দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর সংক্ষিপ্ত জীবনী তুলে ধরে জানান, বঙ্গবন্ধু কন্যার এ সিদ্ধান্তে দলের সবাই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।

 

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, তিনি উচ্চ শিক্ষিত-মেধাবী-দক্ষ। দল, নেত্রী ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতি তিনি যে নিবেদিত সেই প্রমাণ তার পুরো জীবনে রেখে গেছেন।

 

এদিকে রাষ্ট্রপতি পদে আওয়ামী লীগ মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে মনোনয়ন দেওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। মনোনয়ন নিয়ে উচ্ছ্বাসের কথা জানিয়েছেন জাপা চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম)। তিনি বলেছেন, আমরা তাকে অভিনন্দন জানিয়েছি। আমাদের অখুশি হওয়ার কিছু নেই। আমরা মনে করি, উনি সফলভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। প্রত্যাশা করি, তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে থেকে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে সমান চোখে দেখবেন। ছায়া হয়ে প্রয়োজনের সময় আমাদের পাশে থাকবেন ছাতা হিসেবে প্রটেকশনের জন্য।

 

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সিপিবির সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান খান বলেছেন, শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতি পদে যাকে মনোনয়ন দিয়েছেন, আশা করি তিনি খারাপ হবেন না। আমি আশা করছি, তিনি (সাহাবুদ্দিন চুপ্পু) ভালো করবেন।

 

জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক বলেছেন, জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। তবে তারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সমস্ত ভার অর্পণ করেছে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর। প্রধানমন্ত্রী যাকে নির্বাচন করেছেন, তাকে (সাহাবুদ্দিন চুপ্পু) আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি। তিনি ভালো করবেন। আমি তাকে অভিনন্দন জানাই।

 

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বরাবরই নিশ্চুপ বিএনপি। কোনো মন্তব্য করেননি দলটির নেতারা। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসাবে মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে মনোনয়ন দেওয়া সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই সরকার কী করছে, না করছে-এসব বিষয়ে আমরা কোনো মন্তব্য করতে চাই না। একই কথা বলেছিলেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর।

 

বিশিষ্ট ব্যক্তি ও বিশেষজ্ঞদের মতামত


এ বিষয়ে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) এর সাংগঠনিক সম্পাদক জিহাদুর রহমান জিহাদ বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশের মানুষের জন্য সবসময় সেরাটাই নির্বাচন করেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনও সেটির প্রতিফলন। একজন সৎ, নির্ভীক এবং দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসাবে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিরকৃতজ্ঞ।


তিনি আরো বলেন, দেশরত্ন আবারও প্রমাণ করলেন সবার চিন্তা যেখানে শেষ বঙ্গবন্ধু কন্যার চিন্তা সেখান থেকে শুরু। তিনি আবারো যে চমক দেখালেন দেশের ইতিহাসে তা স্মরণীয়। ছাত্র রাজনীতি, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে কারাবরণ, বিচার বিভাগে দায়িত্ব পালন, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সংখ্যালঘু নির্যাতনে তদন্তে কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় সমন্বয়কারী, দুদকে দায়িত্ব পালনসহ ছয় দশকের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর। রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব সামলানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগ্য ব্যক্তিকেই মনোনীত করেছেন দেশরত্ন।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, চুপ্পু তাঁর ক্যারিয়ারে বঙ্গবন্ধু এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে একাগ্রচিত্তে কাজ করছেন। দুর্নীতিমুক্ত থেকে নিজের ক্লিন ইমেজের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি পদে সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়ে ‘পারফেক্ট চয়েজ’এর পরিচয় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাদের মতে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আপসহীন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সম্মুখসারির যোদ্ধা, বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ইতিহাস চুপ্পুর।

 

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন অর রশীদ বলেছেন, আস্থাভাজন, ত্যাগী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, কারাবরণকারী, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সারথী, সাবেক বিচারক মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। তাকে মনোনীত করে অত্যন্ত দূরদর্শী রাজনীতির পরিচয় দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

বাংলাদেশের রাজনীতি আজ দুইভাগে বিভক্ত উল্লেখ করে তিনি জানান, দেশে একটি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের, আরেকটি মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি রয়েছে। এমন অবস্থায় একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বিশ্বাসীকে রাষ্ট্রপ্রধান করার সিদ্ধান্ত সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। কর্মদক্ষতার পরিচয় তিনি আগেই দিয়েছেন, আমাদের জাতীয় জীবনে যে পরিস্থিতির উদ্ভব হয় তার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন রাষ্ট্রপতি দূরদর্শিতার পরিচয় দেবেন, এটি আমার বিশ্বাস।

 

একুশে সংবাদ/এসএপি

Link copied!