ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২০, ৭ কার্তিক ১৪২৭
Ekushey Sangbad
Janata Bank
করোনাভাইরাস মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৩১ নির্দেশনা

বাংলাদেশেও করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের শঙ্কা


Ekushey Sangbad

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০, ০১:২১ পিএম
বাংলাদেশেও করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের শঙ্কা

একুশে সংবাদ : পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশেও পুনরায় সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামশর্ক কমিটি। রোববার রাতে কমিটির সভাপতি কাজী শহিদুল্লাহ কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। একইদিন সকালে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও শীতে পরিস্থিতির অবনতির ঘটবে ধরে নিয়ে এখন থেকেই প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, "বিভিন্ন দেশে দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণও দেখা যাচ্ছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে সংক্রমণের মাত্রা অনেক বেশী। এছাড়া বিভিন্ন দেশের সাথে যোগাযোগ উন্মুক্ত হচ্ছে এবং হতে থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়েও জনসাধারণ এর মধ্যে এক ধরণের শৈথিল্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই সবগুলোর কারণে আমাদের দেশেও পুনরায় সংক্রমণের আশংকা রয়েছে।" সেখানে জানানো হয়, দ্বিতীয় দফার সংক্রমণ প্রতিরোধের পাশাপাশি সংক্রমণ হলে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে রাখার পরামর্শ দেয়া হয় সভায়। দ্বিতীয় দফার সংক্রমণ দ্রুত নির্ণয় এর লক্ষ্যে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়। দ্বিতীয় দফার সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে এখনই করণীয় বিষয়ে রোডম্যাপ প্রস্তুত করে সেই মোতাবেক পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করার পরামর্শ দেয়া হয়। এরই প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে রোডম্যাপ প্রস্তুতিতে জাতীয় পরামর্শক কমিটির সহযোগিতা কামনা করা হয়। জাতীয় পরামর্শক কমিটিও তার সাব-কমিটিগুলোর মাধ্যমে এই রোডম্যাপ প্রস্তুতিতে সহযোগিতা করার ব্যাপারে আশ্বাস দেয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কোভিড ১৯ হাসপাতালে অনেক শয্যা খালি থাকায় ব্যয় সংকোচন করতে শয্যা সংকোচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরামর্শক কমিটি। সেখানে বলা হয়, "গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই আমাদের দেশে সংক্রমণের হার নিম্নমুখী, যদিও এই হার স্বস্তিকর মাত্রায় এখনও পৌছেনি। সম্প্রতি কিছু কিছু হাসপাতালের শয্যা খালি থাকছে আবার অন্য দিকে অন্যান্য রোগের রোগীর সংখ্যা প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কোন কোন হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা একেবারেই কম, অন্যদিকে সেইসব হাসপাতালে অনেক সংখ্যায় চিকিৎসকসহ অনেক স্বাস্থ্যকর্মীরা যুক্ত রয়েছে, হাসপাতাল পরিচালনায় অনেক অর্থ ব্যয় হচ্ছে।" "অন্যান্য রোগের রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এবং সাশ্রয় করতে কোভিড-১৯ হাসপাতালের অব্যবহৃত শয্যা সংখ্যা সংকোচনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। জাতীয় পরামর্শক কমিটি মনে করে এখনও আইসোলেশন কেন্দ্রের প্রয়োজন রয়েছে। তাই সংকোচন করা হলেও পুরোপুরি বন্ধ না করে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে যাতে পুনরায় ব্যবহার করা যায় সেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখার পরামর্শ দেয়া হয়।" প্রাদুর্ভাবের ছয় মাস পর এ পর্যন্ত দেশে করোনায় সনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৯১৮ জন যার মধ্যে মারা গেছেন ৪ হাজার ৯৩৯ জন। একুশে সংবাদ/এআরএম/যু/২১/০৯/২০২০
Side banner