AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

মেসির জন্য দেশ ছাড়তে হয়েছিল জীবনসঙ্গীকে


Ekushey Sangbad
স্পোর্টস ডেস্ক
০২:১৭ পিএম, ২৫ মার্চ, ২০২৬

মেসির জন্য দেশ ছাড়তে হয়েছিল জীবনসঙ্গীকে

লিওনেল মেসি ও অ্যান্তোলিনা রোকোজ্জোর গল্পটা যেন রূপকথার মতোই। আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে শৈশবেই পরিচয় তাদের। তখন মেসি খেলতেন নিউওয়েল ওল্ড বয়েজ-এর বয়সভিত্তিক দলে।

সেখান থেকেই বন্ধুত্ব, পরে প্রণয়। মেসি যখন বার্সেলোনায় পাড়ি জমান, কিছুদিন পর ১৯ বছর বয়সে অ্যান্তোলিনাও চলে যান স্পেনে।

নিজের দেশ ছেড়ে বিদেশ বিভূঁইয়ে পাড়ি দেওয়া সহজ ছিল না অ্যান্তোলিনার জন্য। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই সময়ের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে তিনি বলেন, পরিবার ও বন্ধুদের ছেড়ে যাওয়া ছিল সবচেয়ে কঠিন।

তার ভাষায়, ‘স্পেনে যাওয়ার সময়টা খুব কঠিন ছিল। পরিবার আর বন্ধুরাই ছিল আমার নিরাপদ আশ্রয়।’ তবে এই কঠিন অভিজ্ঞতাই তাকে আরও শক্ত করেছে বলে মনে করেন তিনি। নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া, নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তোলা-এসবই তাকে জীবন সম্পর্কে নতুন শিক্ষা দিয়েছে।

মেসির ক্যারিয়ারের প্রতিটি ধাপে পাশে ছিলেন অ্যান্তোনিলা। স্পেনের বার্সেলোনাতে মেসির উজ্জ্বল সময়, এরপর ফ্রান্সের পিএসজি অধ্যায়—সব জায়গাতেই সঙ্গী থেকেছেন। ২০২৩ সালে মেসি যখন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেন, তখনও পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন জীবন শুরু করেন তারা।

এই পথচলায় গড়ে উঠেছে তাদের পরিবার। ২০১২ সালে জন্ম নেয় প্রথম সন্তান থিয়াগো, ২০১৫ সালে মাতেও এবং ২০১৮ সালে সিরো। পরিবার থেকে দূরে থাকার কষ্ট কখনোই অস্বীকার করেননি অ্যান্তোনিলা। তিনি বলেন, জীবনের কঠিন সময়ে বোনের আলিঙ্গন, বন্ধুর সঙ্গে সরাসরি কথা বলা বা পরিবারের পাশে থাকার সুযোগ না পাওয়া—এসবই খুব কষ্ট দেয়। ‘অনেক মুহূর্ত থাকে, যা একবার চলে গেলে আর ফিরে আসে না—সেগুলো মিস করা খুব কষ্টের,’ বলেন তিনি।

তবে নতুন জায়গায় নতুন মানুষদের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্কও তাদের জীবনের বড় শক্তি হয়ে উঠেছে। সতীর্থদের পরিবারই হয়ে উঠেছে নিজের পরিবার। জর্দি আলবা, সার্জিও বুসকেটস, লুইস সুয়ারেজ কিংবা ফ্র্যাব্রিগাস সবার সঙ্গে মিলেই ভাগাভাগি করেছেন উৎসব ও বিশেষ মুহূর্ত।

দীর্ঘ এই যাত্রার সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত আসে ২০২২ সালে কাতারে, যখন আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ জেতেন মেসি। পরিবারের উপস্থিতিতে পূর্ণতা পায় বহু বছরের স্বপ্ন।

Link copied!