AB Bank
ঢাকা রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
ekusheysangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

ঈদ সামনে রেখে পাইকারি বাজারে বেচাকেনার ধুম


Ekushey Sangbad
মুহাম্মদ আসাদ
০৫:৪৩ পিএম, ৫ এপ্রিল, ২০২৩
ঈদ সামনে রেখে পাইকারি বাজারে বেচাকেনার ধুম

ঈদ সামনে রেখে ছুটির দিনে বিক্রির ধুম লেগেছে রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা মার্কেটে। পুরান ঢাকার ইসলামপুরে দেশের বৃহত্তম কাপড়ের পাইকারি বাজারে বেচাকেনা জমে উঠেছে। স্যালোয়ার কামিজ, থ্রি পিস, পাঞ্জাবি, শাড়ি, লুঙ্গি ও বোরকার নানান ডিজাইনের কাপড় পাওয়া যায় এখানে। রয়েছে দেশী-বিদেশী ব্র্যান্ডের কাপড়ও। আবার বিভিন্ন শপিংমল এবং ফুটপাতেও বিক্রি বেড়েছে এদিন।

 

বিক্রেতারা বলছেন, গত শনিবার থেকে ক্রেতাদের ভিড় বেশি। তবে সবাই যে কিনতে এসেছেন, তা নয়। অনেকেই আজ দেখতে এসেছেন, দাম যাচাই করছেন। মূল বেচাকেনা শুরু হবে ৫ এপ্রিলের পর। ডলার সংকটের কারণে দেশীয় পোশাকে বাড়তি খরচ যোগ হয়েছে। ফলে গত বছরের চেয়ে এবার পোশাকের দাম বেশি। পোশাকের ক্ষেত্রে ছেলেদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে পাঞ্জাবি ও পায়জামা। মেয়েদের পছন্দ ওয়ানপিস, থ্রিপিস ও ওয়েস্টার্ন পোশাক। বাচ্চাদের জন্য অভিভাবকরা নিচ্ছেন শার্ট, প্যান্ট, গেঞ্জি, ফতুয়া, ফ্রক ও নিমা।

 

এদিকে ইসলামপুরের দোকানগুলোতে রয়েছে ছাপা শাড়ি, কম্পিউটারে ডিজাইন করা শাড়ি, হাতে রং করা শাড়ি, বোরকা, লুঙ্গি ও পাঞ্জাবিসহ নানান ডিজাইনের থ্রিপিস। ইসলামপুরে পোশাকের দোকানগুলোতে মান ও কাজভেদে ৬৫০ টাকা থেকে ২৫০০ টাকায় মিলছে দেশী থ্রিপিস। সেলাই ছাড়া থ্রিপিস মিলছে ৬০০ থেকে ১৮০০ টাকায়। নানা কারুকাজ ও বাহারি রঙের পাঞ্জাবি নেওয়া হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৪৫০০ টাকা পর্যন্ত।

 

ইসলামপুর বস্ত্র ব্যবসায়ীদের কাছে নিবন্ধন করা প্রায় সাড়ে চার হাজার দোকানসহ অনিবন্ধিত আরও তিন হাজার দোকান রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৫০ কোটি টাকার বাণিজ্য চলে এখানে। কিন্তু ঈদকে ঘিরে তা শত কোটি টাকায় রূপ নেয় বলে জানান এখানকার ব্যবসায়ীরা। এবারের বিক্রি নিয়ে প্রশ্নে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। কেউ বললেন, এবার বিক্রি ভালো, তবে মোটা দাগে নয়। আবার কেউ বললেন, সন্তোষজনক নয়।

দেশী-বিদেশী কাপড়ের বাজার দর কেমন জানতে চাইলে দুই ব্যবসায়ীরা বলেন, এবার দেশী-বিদেশী উভয় কাপড়ের বাজার দর গত বছরের তুলনায় ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেশি। কাপড়ের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া, ডলারের মূল্য বৃদ্ধি ও এলসি খুলতে না পারার কারণেই এবার কাপড়ের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) টং মার্কেট, হাজী শরফুদ্দিন ম্যানশন, হাজী ইউসুফ ম্যানশন, আমানউল্লাহ কমপ্লেক্স, হাজী কে হাবিবুল্লাহ কমপ্লেক্স মার্কেট, লতিফ টাওয়ার, আহসান মঞ্জিল (মিউ.) সুপার মার্কেট, এ মাবুদ রাইন টাওয়ার, লায়ন টাওয়ার, মদিনা ভবন, হাজী শামসুদ্দিন ম্যানশন, ২৪ নম্বর মসজিদ মার্কেট, নুরজাহান ম্যানশন, হালিম প্লাজা ও সোনার বাংলা মার্কেটসহ আশপাশের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিটি দোকান বাহারি পোশাকে সুসজ্জিত। দোকানগুলোতে ভালো বেচাকেনা চলছে। মোড়ে মোড়ে চলছে মালপত্র ওঠানো-নামানোর কাজ।

 

বিক্রেতারা বলছেন, এবার ঈদ ও পহেলা বৈশাখ কাছাকাছি সময় হওয়ায় বাড়তি বিক্রির আশা করছেন তারা। এরই মধ্যে যারা বেতন পেয়ে গেছেন, তারা আগেভাগে ছুটে আসছেন মার্কেটে। এখন পোশাক ও জুতা কিনছেন। এপ্রিলের ১৮-২০ তারিখ পর্যন্ত এভাবে কেনাকাটার ভিড় থাকবে। তারপর ঘর সাজানোর তৈজসপত্র ও ক্রোকারিজ পণ্যের বিক্রি বাড়বে।

 

এদিকে, পোশাকের মান নিয়ে অভিযোগ না থাকলেও দাম নিয়ে ক্রেতাদের রয়েছে অভিযোগ। এমনকি গত বছরের পোশাক এবছর রেখে সেগুলোর বাড়তি দাম নেওয়ার অভিযোগ করছেন ক্রেতারা। তবে দামের বিষয়ে বিক্রেতারা বলছেন, বর্তমানে সুতার দাম বেশি, মজুরিও বেশি। আবার আমদানি করে আনা উপকরণের দামও বেশি। এসব কারণে এবার পণ্যের দাম কিছুটা বেশি।

 

একুশে সংবাদ/এসএপি

Link copied!