AB Bank
ঢাকা বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
ekusheysangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

দুদকে ৫ বছরে অভিযোগ ৮৯ হাজার, অনুসন্ধান ৫ হাজার, সুপারিশ সাড়ে ১৩ হাজার


Ekushey Sangbad
মুহাম্মদ আসাদ
০১:১০ পিএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
দুদকে ৫ বছরে অভিযোগ ৮৯ হাজার, অনুসন্ধান ৫ হাজার, সুপারিশ সাড়ে ১৩ হাজার

দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) গত পাঁচ বছরে অনিয়ম ও দুর্নীতি সংক্রান্ত ৮৯ হাজার ২৭০টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৫ হাজার ১৭০টি অভিযোগের অনুসন্ধান করেছে দুদক এবং ১৩ হাজার ৪৪৯টি অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সুপারিশ করা হয়েছে। অভিযোগের মধ্যে বাতিল করা হয়েছে ৭০ হাজার ৬৫৫টি।

 

দুদক সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে ১৬ হাজার ৬০৬টি অভিযোগ জমা পড়ে এরমধ্যে এক হাজার ২৬৫টির বিষয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে এক হাজার ৪০৪টির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বাতিল করা হয় ১৪ হাজার ৯৩৭টি অভিযোগ। ২০১৯ সালে ২১ হাজার ৩৭১টি অভিযোগের মধ্যে এক হাজার ৭১০টি অনুসন্ধানের জন্য গ্রহণ করা হয়। আর ৩ হাজার ৬২৭টির বিষয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগে সুপারিশ করা হয়। ওই বছর ১৬ হাজার ৩৪টি অভিযোগ বাতিল করা হয়।

 

২০২০ সালে ১৮ হাজার ৪৮৯টি অভিযোগের মধ্যে ১৫ হাজার ১৯৮টি অভিযোগ নথিভুক্ত করে দুদক। এর মধ্যে ৮২২টি অনুসন্ধান করা হয়। ২০২১ সালে ১৪ হাজার ৭৮৯টি অভিযোগের মধ্যে মাত্র ৫৩৩টি অনুসন্ধানের জন্য গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে ১১ হাজার ৩৬৭টি অভিযোগই নথিভুক্ত করেছে দুদক। দুই হাজার ৮৮৯টির বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়।

 

গত বছরে (নভেম্বর ২০২২ পর্যন্ত) ১৮ হাজার ১৯টি অভিযোগ জমা পড়ে। এর মধ্যে আর ৩ হাজার ৬০টি অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগে সুপারিশ করা করা হয়। আর ৮৪০টি অভিযোগের বিষযে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাকি ১৪ হাজার ১১৯টি অভিযোগ  বাতিল করা হয়েছে।

 

দুদক সূত্র আরো জানায়, ২০১৮ সালে ২১৬টি মামলা করেছে দুদক। তার পরের বছরগুলোর মধ্যে ২০১৯ সালে ৩৬৩টি, ২০২০ সালে ৩৪৮টি, ২০২১ সালে ৩৪৭টি এবং নভেম্বর ২০২২ পর্যন্ত) ৪৯৭টি মামলা দায়ের করেছে দুদক। ২০১৮ সালে ২৩৬টি চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হয়েছে। ২০১৯ সালে ২৬৭টি, ২০২০ সালে ২২৮টি, ২০২১ সালে ২৬০টি এবং নভেম্বর ২০২২ পর্যন্ত ১৬২টি চার্জশিট দাখিল করেছে দুদক। এ ছাড়া নভেম্বর ২০২২ পর্যন্ত ৭৮টি মামলার ফাইনাল রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে।

 

২০১৭ সালে ফাঁদ পেতে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে ২৪টি, ২০১৮ সালে ফাঁদ পেতে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে  ১৫টি, ২০১৯ সালে ফাঁদ পেতে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে ১৬টি, ২০২০ সালে ফাঁদ পেতে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে ১৮টি এবং ২০২১ সালে ৬টি ফাঁদ পেতে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে মামলা করা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দুর্নীতিবিরোধী রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা বাস্তবায়নে সুনির্দিষ্ট কোনো কৌশল নেই।  আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার প্রয়োগে পেশাগত উৎকর্ষ ও সৎসাহসের ঘাটতি এবং অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তির পরিচয় ও অবস্থান সিদ্ধান্ত গ্রহণে মূল নির্ধারক হওয়ায় ক্ষেত্র বিশেষে চুনোপুঁটি নিয়ে অনুসন্ধান করা হলেও রুই-কাতলার বিচারহীনতা স্বাভাবিকতা লাভ করেছে। এ অবস্থার আমূল পরিবর্তন  করা প্রয়োজন ।

 

এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, জমা পড়া অভিযোগগুলো দেখার জন্য আমাদের একটি অভিযোগ যাচাই-বাছাই সেল আছে। যেসব অভিযোগের সারবত্তা আছে এবং দুদক আইন অনুসারে এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে, সেগুলোই অনুসন্ধানের জন্য গ্রহণ করা হয়। আর যেসব অভিযোগের সারবত্তা নেই কিংবা এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না, সেগুলো গ্রহণ করা হয় না । অনেক ক্ষেত্রে মামলা প্রমাণে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা দপ্তরে তথ্য চেয়েও যথাসময়ে পাওয়া যায় না। যে কারণে কিছু মামলা নিষ্পত্তি হতে বিলম্ব  হয়।

 

একুশে সংবাদ.কম/আ.জ.প্র/জাহাঙ্গীর

Link copied!