AB Bank
ঢাকা রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
ekusheysangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী
আ’লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলন

শেখ হাসিনাই সভাপতি, নজর সাধারণ সম্পাদকের দিকে!


Ekushey Sangbad
A Ziadur Rahaman Zihad (এ জিহাদুর রহমান জিহাদ)
০৯:১১ পিএম, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২২
শেখ হাসিনাই সভাপতি, নজর সাধারণ সম্পাদকের দিকে!

প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। এ দলের হাত ধরেই স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশের সৃষ্টি। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ক্ষমতার মসনদেও দলটি। এ দেশের সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন-অগ্রযাত্রাও আওয়ামী লীগের হাত ধরে। টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা দলটির চোখ এখন আগামী জাতীয় নির্বাচনে। তার ঠিক এক বছর আগে ২২তম জাতীয় সম্মেলন করতে যাচ্ছে দলটি। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষমতাসীন দলটির নেতৃত্ব নিয়ে কৌতূহল সবার মধ্যে। কারা আসছেন দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে?

 

দলের নেতাকর্মীসহ দেশবাসী এখন সম্মেলনের সেই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায়। তবে সময় যতই ঘনিয়ে আসছে দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ততই বাড়ছে। সম্মেলন ঘিরে তাদের মধ্যে একদিকে উৎসব, আরেকদিকে চিন্তা। দলের সভাপতি শেখ হাসিনা নিশ্চিত হলেও সাধারণ সম্পাদক কে হচ্ছেন, ঘুরেফিরে সামনে আসছে সেই প্রশ্ন।

 

দলের সভাপতি শেখ হাসিনা নিশ্চিত হলেও সাধারণ সম্পাদক কে হচ্ছেন, ঘুরেফিরে সামনে আসছে সেই প্রশ্ন। তবে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, ‘অপরিবর্তিত থাকছেন ওবায়দুল কাদের।’  

 

এ ছাড়া আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, ড. হাছান মাহমুদ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় আছেন। তবে দলের গুরুত্বপূর্ণ এ পদ নিয়ে সভাপতির দিকেই চেয়ে আছেন সবাই।

 

আরো পড়ুন- রাজধানীর বাইরের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে বললেন কাদের

 

জানা গেছে, সম্মেলন ঘিরে ঘুম হারাম অবস্থা বর্তমান কেন্দ্রীয় নেতাদের। অনেকেই ভুগছেন পদ হারানোর শঙ্কায়। আবার অনেকে রয়েছেন পদোন্নতির আশায়। দলের সভাপতিমণ্ডলীতে কিছু নতুন মুখ আসতে পারে এবং সম্পাদকমণ্ডলী ও সদস্যপদে সামান্য কিছু রদবদলের সম্ভাবনা আছে বলে দলের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সূত্র থেকে আভাস পাওয়া গেছে। তবে দলটির সূত্রগুলো বলছে, নবীন ও প্রবীণের সম্মিলনে আওয়ামী লীগে নতুন নেতৃত্ব আসবে। এতে প্রবীণদের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি সংগঠনকে গতিশীল করতে কমিটিতে তারুণ্যের নতুন রক্ত সঞ্চালন করা হবে।

 

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে. কর্নেল (অব) মুহাম্মদ ফারুক একুশে সংবাদক.কম কে বলেন, “বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সম্মেলন দেশের মানুষের কাছে সবসময় একটা আনন্দের ও উৎসবের বিষয়। কারণ, বাংলাদেশে সত্যিকারভাবে একমাত্র গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। আমরা প্রতি তিন বছর পরপর জাতীয় সম্মেলন করি। তার আগে জেলা ও অন্যান্য সম্মেলনগুলো করা হয়। এই সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব আসে। এবারের সম্মেলন নিয়ে আমি আশা করছি যে কাউন্সিলররা যেভাবে চাইবেন সেভাবে নেতৃত্ব ঠিক হবে। ইতোমধ্যে নির্বাচনের জন্য কমিশন গঠন করা হয়েছে। তিন জনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কাউন্সিলররা যেভাবে চাইবে সেভাবে হবে।”

 

আরো পড়ুন- আওয়ামী লীগের সম্মেলনের প্রস্তুতি সম্পন্ন


তিনি আরও বলেন, “আমি মনে করি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে নবীন ও প্রবীণের সমন্বয়ে কমিটি হয়েছে, এবারও তাই হবে। মহিলাদের কিছুটা অগ্রাধিকার থাকবে।”

 

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে টানা দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন ওবায়দুল কাদের। শনিবার দলের ২২তম জাতীয় সম্মেলনে নতুন কমিটি হলে সেখানে তিনি তৃতীয় দফায় একই পদে থাকছেন কিনা, সে প্রশ্ন করা হয়েছিল তাকে। জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, দায়িত্ব বদলালেও এই দলেই আছি, দলের জন্যই কাজ করব।

 

আরো পড়ুন-আ.লীগের সম্মেলন উপলক্ষে রাজধানীর যেসব রাস্তা বন্ধ থাকবে শনিবার

 

দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কতটুকু সফল হয়েছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ব্যর্থতা থেকে শিক্ষাও নেব, যেখানে ভুল আছে, আমরা সম্মিলিতভাবে আগামীতে চেষ্টাও করব।  কে কোন দায়িত্বে সেটা ব্যাপার না, দায়িত্ব বদলালেও তো আমরা এই দলেই আছি।

 

আওয়ামী লীগের বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, দলের একটা অংশ চাইছে ওবায়দুল কাদেরই সাধারণ সম্পাদক পদে থাকুক। তিনি না হলে হাছান মাহমুদকে এই পদে দেখতে চায় তারা। তথ্যমন্ত্রী হিসেবে গণমাধ্যমে নিয়মিত উপস্থিতি এবং বিরোধী দলের সব আন্দোলনকেই নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারায় তিনি সাধারণ সম্পাদক পদের অন্যতম দাবিদার- এমনটা মনে করেন তার অনুসারীরা।

 

আরো পড়ুন- বিএনপিকে জাতীয় সম্মেলনে দাওয়াত দিলো আ’লীগ


সাম্প্রতিক সময়ে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা তার বক্তৃতায় একাধিকবার বাহাউদ্দিন নাছিমের ওপর বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের নির্যাতনের কথা তুলে ধরেছেন। দলের জন্য তার ত্যাগের কথা স্মরণ করেছেন। ফলে তাকেও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বিবেচনা করছেন কেউ কেউ।

 

দলীয় সূত্র মতে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে ক্ষমতায় আছে। ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর থেকে ক্ষমতাসীন দলটি নিয়মিতভাবে চারটি জাতীয় কাউন্সিল করেছে। এতে কেন্দ্রীয় রাজনীতি সুসংগঠিত হয়েছে, বেড়েছে নেতৃত্বের বলয়। দীর্ঘ ৭৩ বছরের রাজনৈতিক দলটির প্রতি সমর্থকদের পাশাপাশি বেড়েছে দলের নেতাকর্মীদের ভালোবাসা। দুর্দিনে দলের পাশে থাকতে প্রস্তুত এমন নেতাকর্মীর সংখ্যাও এখন কম নয়।

 

শুক্রবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, মঞ্চ সাজসজ্জাসহ আনুষঙ্গিক সব কাজ প্রায় শেষ। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পদ্মা সেতুর ওপরে নৌকার আদলে মঞ্চ তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সাংস্কৃতিক পর্বের জন্য তৈরি হচ্ছে আলাদা মঞ্চ। মূল মঞ্চে চার লেয়ারে চেয়ার সাজানো হয়েছে। প্রথমটিতে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা এবং সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বসবেন। দ্বিতীয়টিতে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সিনিয়র নেতা ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, বাকি দুটিতে কেন্দ্রীয় নেতারা বসবেন। মূল মঞ্চে মোট ১২০টি চেয়ার রাখা হবে।

 

আরো পড়ুন- প্রধানমন্ত্রী সবসময় ঝুঁকির মধ্যে থাকেন: ডিএমপি কমিশনার


বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার কারণে কিছুটা কৃচ্ছতাসাধনের লক্ষ্যে সম্মেলনে সাদামাটা আয়োজনের জন্য এ বছর বিদেশিদের দাওয়াত দেওয়া হয়নি। তবে সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ১৪ দল, জাতীয় পার্টি, বিএনপিসহ নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলকে দাওয়াত দিয়েছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনের বেশির ভাগই দুই দিনব্যাপী হয়েছে। এবার তা একদিনে নামিয়ে আনা হয়েছে খরচ কমাতে।

 

সম্মেলনের কর্মসূচি

 

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন শেষে কেন্দ্রীয় নেতারা মঞ্চে আসার পর আধ ঘণ্টা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হবে। এরপর শোক প্রস্তাব উত্থাপন করবেন দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া। সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন উপস্থাপন করবেন ওবায়দুল কাদের। স্বাগত বক্তব্য দেবেন অভ্যর্থনা কমিটির আহ্বায়ক শেখ ফজলুল করিম সেলিম। সভাপতি শেখ হাসিনার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন শেষ হবে।

 

আরো পড়ুন- প্রতিষ্ঠাকাল থেকে আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদক ছিলেন যারা

 

এবারের জাতীয় সম্মেলনে ২০৪১ সালের মধ্যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হবে। বিষয়টি সামনে রেখেই সম্মেলনের স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে ‘উন্নয়ন অভিযাত্রায় দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়’। এতে সারাদেশ থেকে প্রায় সাত হাজার কাউন্সিলর এবং লক্ষাধিক ডেলিগেটসহ অন্যান্য নেতাকর্মী অংশ নেবেন। সম্মেলনের প্রথম পর্ব শেষ হওয়ার পর নামাজ ও খাবারের বিরতি শেষে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে শুরু হবে কাউন্সিল অধিবেশন। এই অধিবেশনে আওয়ামী লীগের নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করা হবে।

 

সম্মেলনের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও প্রবীণ আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনকে চেয়ারম্যান করে তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশনের অপর দুই সদস্য হচ্ছেন— প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।

 

ব্যালট পেপার, স্বচ্ছ ব্যালট ও নির্বাচন কমিশন সব প্রস্তুত। তবে এবারও এর ব্যবহারের সম্ভাবনা কম। কারণ অন্যান্যবারের মতো এবারও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাই থাকবেন। কাউন্সিলররা সর্বসম্মতি দিয়ে তাকেই যে টানা দশমবারের মতো আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করবেন, সেটা মোটামুটি নিশ্চিত। তাকেই কাউন্সিলররা দায়িত্ব দেবেন সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতা নির্বাচনের।

 

আরো পড়ুন- জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে আ’লীগ: কাদের

 

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, “সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সামগ্রিক প্রস্তুতি প্রায় শেষের পথে। খাবার পানি, তিনটি মেডিকেল ক্যাম্প ও জরুরি সেবার জন্য অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সামগ্রিক শৃঙ্খলার দায়িত্বে কাজ করছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ।”

 

নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের আগেই বর্তমান কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর তিনি সভাপতির আসন ছেড়ে কাউন্সিলরদের জন্য নির্ধারিত আসনে গিয়ে বসবেন। এরপর নির্বাচন কমিশন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করবেন। প্রথমে দলটির দুজন প্রবীণ নেতা সভাপতি পদে নাম প্রস্তাব ও সমর্থন করবেন। একাধিক প্রার্থী না থাকলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।

 

আরো পড়ুন- শেখ হাসিনার পথচলায় সহায়ক শক্তি পুরো পরিবার

 

একই প্রক্রিয়ায় নির্বাচন করা হবে সাধারণ সম্পাদক। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক কোনো প্রার্থী না থাকলে প্রস্তাবিত দুজনকেই সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত ঘোষণা করবেন নির্বাচন কমিশন।

 

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মূল মঞ্চে উঠে পরবর্তী কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করবেন। এরপর বাকি পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নির্বাচনের দায়িত্ব কাউন্সিলররা সভানেত্রী শেখ হাসিনার ওপরই অর্পণ করবেন। তাই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব গঠনের চাবিকাঠি দলের প্রধানের হাতেই থাকছে।

 

একুশে সংবাদ/ঢা.জা.যু/এসএপি

Link copied!