সরকার অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে জাদুঘরে পাঠিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি`র জ্যেষ্ঠ যুগ্মমহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে খাবার বিতরণ কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
কাফরুল থানা বিএনপির উদ্যোগে এ খাবার বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার রফিকুল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য তারিকুল আলম তেনজিং।
রিজভী বলেন, দেশের সকল দুর্যোগে মেজর জিয়াউর রহমান জাতির ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। ৭১ সালে দেশের নেতৃত্ব যখন দোদূল্যমান, তারা যখন কোনো দিক নির্দেশনা দিতে পারছিলেন না, ঠিক ওই সময় সেনাবাহিনীর একজন মেজর চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জাতিকে স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ করলেন। ১৯৭৫ সালে আজকের সরকারের পূর্বসূরীরা জাতিকে একটা অন্ধকারের মধ্যে ফেলে দিয়েছিলেন। তারপর সিপাহীর জনতা একত্রিত হয়ে জিয়াউর রহমানকে রাজনীতি ও ক্ষমতার সামনে নিয়ে আসেন।
রিজভী বলেন, জিয়াউর রহমান মানুষের স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা প্রদানসহ একটা মুক্ত বাংলাদেশ তৈরি করেছিলেন। এই জাতি কখনো অবস্মরণীয় নেতা শহীদ জিয়াউর রহমানকে ভুলে যাবে না। শহীদ জিয়াউর রহমান না থাকলে আমরা গণতন্ত্র পেতাম না, জিয়াউর রহমান না থাকলে আমরা মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে পেতাম না।
রিজভী আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বাকশাল বন্ধ না করলে বাকশাল যেভাবে কায়েম করা হয়েছিল ওই বাকশাল অব্যাহত রাখা হত। জিয়াউর রহমান রাজনীতি করেছেন, তেমনি সবাইকে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছেন।
পরে আয়োজিত খাবার বিতরণ কর্মসূচিতে রিজভী বলেন, আজকে যারা ক্ষমতায় আছেন তারা নির্বাচনকে নির্বাসনে দিয়েছেন। ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন না। সবকিছু বন্দি করেছেন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে জাদুঘরে পাঠিয়েছেন। এই দম বন্ধ করার মতো পরিস্থিতিতে আমরা বসবাস করছি। এই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের জন্য জিয়াউর রহমানের আদর্শ, সততা ধারণ করে কাজ করতে পারলে বাংলাদেশে আমরা স্বাধীনতা ভালোমতো ফিরে পাব।
একুশে সংবাদ/এনটি/সা.আ



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

