বিএনপির বর্জনের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী উন্মুক্ত করে দিয়েছে টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা দল আওয়ামী লীগ। এতে ৩০০শত সংসদীয় আসনের মধ্যে প্রায় ৭০টির মতো আসনে ঘরের লড়াইয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছে দলটির তৃণমূল নেতাকর্মীরা। অনেক আসনে দল সমর্থিত প্রার্থীকে মেনে নিতে পারছেন না নেতারা। তবে এইসব আসনে দ্বি-ত্রিমুখী লাইয়ের আভাস পাওয়া গেছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে যাত্রাবাড়ি-ডেমরা ও কদমতলী থানার একাংশ নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫।
এখানে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও যাত্রাবাড়ি থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনর রশীদ মুন্নার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হচ্ছে প্রয়াত চারবারের এমপি আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান মোল্লার বড় ছেলে ও ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মশিউর রহমান মোল্লা সজল (ট্রাক) এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন (ঈগল)।
এই তিন প্রার্থীর মধ্যে ঢাকা-৫ আসনের স্থানীয় বাসিন্দা আলহাজ্ব মশিউর রহমান মোল্লা সজল (ট্রাক)। তিনি স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় দলের বাইরে পারিবারিকভাবে নিজস্ব একটি বলয় রয়েছে। তবে হারুনর রশীদ মুন্না প্রায় ৩৫ বছর যাবত এই এলাকায় রাজনীতি করছেন। তার গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গী বাড়ি থানতে। আর কামরুল হাসান রিপনের (ঈগল) গ্রামের বাড়ি চাদপুর (সদর) ফরিদগঞ্জ। তবে এলাকায় প্রভাব ও জনপ্রিয়তায় তিন জনই শীষে। ফলে এখানে জয়-পরাজয়ের নির্ণায়ক হয়ে উঠতে পারে আঞ্চলিকতা।
প্রকাশে পক্ষে-বিপক্ষে নেই কর্মীরা: ঢাকা-৫ নির্বাচনী এলাকায় তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। একপ্রার্থীর পক্ষে সরাসরি অবস্থান নিয়ে অন্যরা নাখোশ হয়। সেজন্য কেউ কেউ প্রকাশ্যে অবস্থান নিলেও অনেকেই কৌশলী অবস্থান নিয়েছেন। দলের এসব নেতাকর্মীরা বলছেন, আমরা নৌকার বিপক্ষে না, নৌকার মাঝির বিপক্ষে। স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব মশিউর রহমান মোল্লা সজল (ট্রাক) একজন সৎ-পরহেজগার ও যোগ্য প্রার্থী। তার বাবা হাবিবুর রহমান মোল্লা এই আসনটিতে ১৯৯৬ সাল থেকে চারটি নির্বাচনে জিতেছিলেন, হারেন কেবল ২০০১ সালে। এরপর ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনবার নির্বাচিত হন। স্থানীয়ভাবে মোল্লা পরিবারের ব্যাপক পরিচিতি এবং নিজস্ব ভোটব্যাংক রয়েছে।
তিনি তৃণমূল আওয়ামী লীগের অনুরোধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। বাহিরের হৈ চৈ দেখে অবাক হবেন না, ভিতরে ভিতরে তারপক্ষেই সবাই একাট্টা। ট্রাক প্রতীকের পক্ষে উঠান বৈঠক ও বাড়ি বাড়ি গণসংযোগ করছেন তৃণমূল আওয়ামী লীগ সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীরা। তবে নির্বাচনি এলাকার গুরুত্বপূর্ণ মোড় আর অলিগলি ছেয়ে আছে তিন প্রার্থীর পোস্টারে।
আওয়ামী লীগের নৌকার মাঝি হারুনর রশীদ মুন্নার পক্ষে রয়েছেন ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট রফিকুল ইসলাম মাসুদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক চৌধুরী সাইফুন্নবী সগরসহ নগর নেতৃবৃন্দ। তবে ২০২০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লার মৃত্যুর পর অক্টোবরের উপনির্বাচনে নৌকা নিয়ে জয় পাওয়া কাজী মনিরুল ইসলাম মনু মনোনয়ন না পেয়ে এবার ভোটের লড়াইয়ে নেই। স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও তিনি তা প্রত্যাহার করে নেন। কারো পক্ষে তার অবস্থান আছে, এমন আভাসও মিলছে না। দ্বাদশ নির্বাচনে স্থানীয় নেতাকর্মীরা কাকে ছেড়ে কার পক্ষে থাকবেন, এই সিদ্ধান্ত নিতে গিয়েই দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগছেন অনেকে।
ডেমরা এলাকার বাসিন্দা ও আওয়ামী লীগের কর্মী মো. সাইফুল ইসলাম পাটওয়ারী বলেন, তিন জনই তো শেখ হাসিনার প্রার্থী। এখন আমরা কাকে ভোট দেব? নির্বাচনকে উৎসবমুখর করার জন্য নেত্রী সবাইকে প্রার্থী হতে বলেছেন। কিন্তু আমরা কাকে ভোট দেব? কাকে দিলে ভালো হয় এখনও সিদ্ধান্ত নেইনি।
৫০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা পড়েছি মহাবিপাকে। নেতাকর্মীরা চরম দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছেন। তারা কাকে বাদ দিয়ে কার পক্ষে নামবেন তা নিয়ে অস্বস্তিতে ভুগছেন। এক নেতার পক্ষে প্রচারে অংশ নিলে যদি অন্যরা মনে কষ্ট পান, এজন্য অনেকে ভোটের মাঠ থেকে দূরেও রয়েছেন।
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে রাজধানীর প্রবেশমুখ হিসেবে পরিচিত ঢাকা-৫ আসন ১৪টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯০ হাজার ৮০৫ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫১ হাজার ৫৩৯ এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৩৯ হাজার ২৬৩ জন। এই আসনে যত সম্ভব মানুষের (ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে) কাছে পৌঁছতে প্রার্থী ও তার সমর্থকদের চেষ্টা চোখে পড়ছে। এ এলাকায় রয়েছে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল। ভোটারদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা ছাড়াও আছে শ্রমজীবী ও ব্যবসায়ীরা।
তবে মঙ্গলবার স্টাফ কোয়াটার, সারুলিয়া, ডেমরা, সাইনবোর্ড-সানারপাড়, যাত্রাবাড়ির কাজলা, রায়েরবাগ ও শনির আখড়া ঘুরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত তিন প্রার্থীর ব্যাপক প্রচার চোখে পড়েছে। এদিন মশিউর রহমান মোল্লা সজল (ট্রাক) সকালে ভাঙ্গাপ্রেস-কাজলা এলাকায় নির্বাচনি সভা শেষে কোনাপাড়ার বাড়িতে নির্বাচনি প্রধান ক্যাম্পে যান। এরপর ডেমরার বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রচার প্রচার চালান। রাত নয়টার সময়ও তাকে শুন্যা টেংরা এলাকায় মতবিনিময় শেষে বাড়ি বাড়ি যেতে দেখা গেছে। তিনি প্রচারে তার বাবার কথা টানছেন আনছেন, অনুরোধ করছেন তাকেও সমর্থন করতে।
তিনি বলেন, এ আসনে মোল্লা পরিবার আস্থা ও বিশ্বাসের পরিবার। আমার বিশ্বাস জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে এং আমি বাবার প্রতি মানুষের আস্থা আমি ধরে রাখতে পারব। আওয়ামী লীগসহ সব সহযোগী সংগঠনের বেশিরভাগ নেতাকর্মী তার সঙ্গে আছেন বলে দাবি করেন ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মশিউর রহমান মোল্লা সজল। তিনি বলেন, আপনি নিজেও আজকে আমার সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখেছেন, আমার সঙ্গে কারা। সবাই তো আওয়ামী লীগেরই, এলাকার মুরব্বিরা আমার সঙ্গে আছে। কথা হয় ৪৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ এর সঙ্গে।
তিনি বলেন, ঢাকা-৫ নির্বাচনী এলাকায় যোগ্যপ্রার্থীকে নৌকা না দেওয়ায় আমরা সজল ভাইয়ের (ট্রাক প্রতীক) স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছি। এই এলাকায় তার প্রয়াত বাবা আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান মোল্লা ঘরে ঘরে হাজির হয়ে নৌকার কর্মী তৈরিতে ভূমিকা রেখেছেন। এটি ছিল মূলত বিএনপি-জামায়াতের ঘাটি। আজকে এই আসনকে আওয়ামী লীগের দূর্গ হিসেবে ধরে রাখতে আলহাজ্ব মশিউর রহমান মোল্লা সজলের মতো একজন দক্ষ-যোগ্য লোকের প্রয়োজন। ৫০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা ও যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. খোরশেদ আলম নির্বাচন করছেন সজল মোল্লার পক্ষে ট্রাক প্রতীকে। তিনি বলেন, আমরা আগে থেকেই মোল্লা পরিবারের সঙ্গে আছি। নৌকা না পেলেও আমরা তো নৌকার লোকই। জননেত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচন উন্মুক্ত করে দেওয়ায় একজন নৌকা পেয়েছেন, তবে সজল মোল্লাও শেখ হাসিনার প্রার্থী। ট্রাক প্রতীকে ভোট দিলেও সেটা আওয়ামী লীগের পক্ষেই, শেখ হাসিনার প্রার্থীকেই দেওয়া হবে।
আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল হাসানও এদিন সকালে দনিয়ার নিজ বাড়িতে প্রধান নির্বাচনি ক্যাম্পে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে মুসলিমনগরের মদিনা চত্বর এলাকায় আরেকটি ক্যাম্প উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি ডেমরার আল আমিন রোডসহ আরও বেশ কিছু এলাকায় প্রচারে যান। আলআমিন রোড এলাকায় ভোট চাওয়ার সময় কথা হয় এই প্রার্থীর সঙ্গে। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকে আমি এই এ এলাকায় বড় হয়েছি। দীর্ঘদিন ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত ছিলাম। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি থাকাকালেই বিভিন্ন ওয়ার্ড ও পাড়া মহল্লায় মানুষের বিপদ আপদে পাশে দাঁড়িয়েছি। আওয়ামী লীগের বড় অংশ আমার সঙ্গে আছে, আমি উনাদের পরামর্শে কাজ করে যাচ্ছি। এলাকাবাসী জানেন, আমি এমপি হতে পারলে তাদের জন্য, আওয়ামী লীগের জন্যই ভালো হবে। আমি আমার সবটুকু দিয়ে এই এলাকার জনগণের জন্য কাজ করব, পাশাপাশি নেত্রীর আস্থা ধরে রাখতে পারব। তবে মঙ্গলবার সকালে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ৫০ নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের (নৌকা) প্রার্থী হারুনর রশীদ মুন্না। পরে ৪৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৪৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী আবুল কালাম অনু, ৪৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী গিয়াসউদ্দিন গেসু,৫০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোসলেউদ্দিন মুরাদ প্রমূখ। হারুনর রশীদ মুন্না বিভিন্ন এলাকায় মতবিনিময় সভা করে রাত অবধি ভোটারের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। তিনি বলেন, এখানে নৌকার বাইরে কারও কিছু বলার সুযোগ নেই। অনেকেই নির্বাচন করতে পারে, তবে আমি মনে করি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকেরা আমার জন্য কাজ করছে এবং ভোটের মাধ্যমে তার প্রমাণ মিলবে। মাঠের কর্মী বান্ধব ও ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচিত নৌকার মাঝি হারুনর রশীদ মুন্না বলেন, এই এলাকায় আমি দীর্ঘ দিন ধরে রাজনীতি করে আসছি। এখানের আওয়ামী লীগ থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে আমার উঠাবসা, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আমার সঙ্গে আছে। এ আসনে বঙ্গবন্ধু নির্বাচন করেছেন। এখানে নৌকার বাইরে কারও কিছু বলার সুযোগ নেই। অনেকেই নির্বাচন করতে পারে, তবে আমি মনে করি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকেরা আমার জন্য কাজ করছে এবং ভোটের মাধ্যমে তার প্রমাণ মিলবে।
৬৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও সারুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাফর আহমেদ বাবু বলেন, নৌকার প্রার্থী মুন্না (নৌকার প্রার্থী) ছোটবেলা থেকেই রাজনীতি করে। তার দ্বারা কারো কোনো ক্ষতি হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সে কোনো সময় নির্বাচন করেনি। তাই তাকে নৌকা প্রতীকে ভোট দিতেই হবে। আমরা যারা আওয়ামী লীগ করি, এর বাইরেও বিভিন্ন পেশার মানুষ তার পক্ষে নেমেছে।
একইকথা বলেছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও ৬৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম খসরু। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবার দ্বাদশ নির্বাচনে ঢাকা-৫ আসনে একজন পুরখাওয়া ও পরীক্ষিত আওয়ামী লীগের নেতাকে নৌকার প্রার্থী করে মূল্যায়ন করেছেন। এখন আমাদের কর্তব্য তার বিজয় নিশ্চিত করা। দনিয়া এলাকায় বেসরকারি একটি স্কুলের শিক্ষক মো. সাইফুদ্দিন ঈগল প্রতীকের পক্ষে।
তিনি বলেন, আমরা যে কোনো সমস্যায় পড়লে সবার আগে ছুটে আসনে কামরুল হাসান রিপন ভাই। আমি নিজেও আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি, এক সময় ছাত্রলীগের নেতা ছিলাম। এখানে রিপন ভাই শেখ হাসিনার পরীক্ষিত নেতা। তিনি বিরোধীদলে থাকার সময়ও নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। আমরা বলছি, শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে, আওয়ামী লীগের হাতকে শক্তিশালী করতে রিপন ভাইয়ের বিকল্প নাই। তিনি এমপি হলে চাঁদাবাজ মুক্ত ঢাকা-৫ উপহার পাবেন। আমরা ভোটারদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। এ আসনে অন্য প্রার্থীরা হলেন তৃণমূল বিএনপির (সোনালি আঁশ) মো. আবু হানিফ হৃদয়, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের (চেয়ার) আবু জাফর মো. হাবিব উল্লাহ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের (ডাব) মো. সাইফুল আলম, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (টেলিভিশিন) এস এম লিটন, ইসলামী ঐক্যজোটের (মিনার) মো. আব্দুল কাইয়ুম, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (আম), মো. আরিফুর রহমান (আম), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের (ছড়ি) মো. নূরুল আমিন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (একতারা) মো. মোশারফ হোসেন মিয়া, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (কাঁঠাল) সারোয়ার খান।
একুশে সংবাদ/শ.ই.প্র/জাহা



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

