পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, জাতিসংঘে যোগদানের পর থেকেই বাংলাদেশ তার পররাষ্ট্রনীতিতে বহুপাক্ষিকতাকে অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে ধারণ করে আসছে। তিনি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে নিযুক্ত প্রায় ১৫০টি দেশের স্থায়ী প্রতিনিধি, সংস্থাটির সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি চলমান মানবিক সহায়তার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গত পাঁচ দশকে নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে বাংলাদেশ জাতিসংঘ সনদের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গঠনমূলক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি অর্জন করেছে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ২৬ মার্চ শুধু একটি জাতির জন্মলগ্ন নয়, বরং বাঙালির স্বাধীনতার চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতীক।
এর আগে সকালে দিবসটি উপলক্ষে মিশনের অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন ও বিশিষ্টজনদের বাণী পাঠ করা হয়।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

