ঢাকা রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ২২ মাঘ ১৪২৯

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
ekusheysangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. পডকাস্ট

জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় আরও এক পুলিশ সদস্য বরখাস্ত


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৪:৩১ পিএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২২
জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় আরও এক পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

পুরান ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পুলিশের মুখে-চোখে স্প্রে করে প্রকাশক দীপন হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় পুলিশ সদস্য নুরে আজাদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

 

রোববার (২৭ নভেম্বর) ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার জসিমউদ্দিন তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

 

ওইদিন আজাদের মুখে-চোখে স্প্রে করে দুই জঙ্গিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তাদের সহকর্মীরা। ছিনতাই হওয়া দুই জঙ্গিকে আটকাতে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি। এ নিয়ে জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় সাত পুলিশকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

 

উপ-পুলিশ কমিশনার জসিমউদ্দিন বলেন, আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনায় নুরে আজাদসহ সাত পুলিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। নুরে আজাদ গতকাল শনিবার ডিউটিতে যোগদান করেন। তার সাথে চার পুলিশ সদস্য ঘটনার দিন ডিউটিতে ছিলেন। কিন্তু তিনি একাই চার জঙ্গিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ডিউটিতে চারজন থাকা শর্তেও তিনি কেন একাই চার জঙ্গিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন তা তদন্তের বিষয়। কমিশনার মহদোয়ের নির্দেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন হবে।

 

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অপর পুলিশ সদস্যরা হলেন- সিএমএম আদালতের হাজতখানার কোর্ট ইন্সপেক্টর মতিউর রহমান, হাজতখানার ইনচার্জ (এসআই) নাহিদুর রহমান ভূঁইয়া, আসামিদের আদালতে নেওয়ার দায়িত্বরত পুলিশের এটিএসআই মহিউদ্দিন, কনস্টেবল শরিফ হাসান, জয়নাল ও আব্দুস সাত্তার।

 

এর আগে গত রোববার (২০ নভেম্বর) দুপুরে পুরান ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় জঙ্গিরা। এসময় আসামি আরাফাত ও সবুরকে ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা করে জঙ্গিরা। পরে ঘটনাস্থল থেকে আরাফাত ও সবুরকে আটক করা হয়।

 

এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় কোর্ট পরিদর্শক জুলহাস বাদী হয়ে ২০ জনের নামে মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞানামা আসামি করা হয় আরও ৭-৮ জনকে।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আনসার আল ইসলামের সামরিক শাখার নেতা সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে সাগর ওরফে বড় ভাই ওরফে মেজর জিয়ার (চাকরিচ্যুত মেজর) পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় আয়মান ওরফে মশিউর রহমান (৩৭), সাব্বিরুল হক চৌধুরী ওরফে আকাশ ওরফে কনিক (২৪), তানভীর ওরফে সামশেদ মিয়া ওরফে সাইফুল ওরফে তুষার বিশ্বাস (২৬), রিয়াজুল ইসলাম ওরফে রিয়াজ ওরফে সুমন (২৬) ও মো. ওমর ফারুক ওরফে নোমান ওরফে আলী ওরফে সাদ (২৮) পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামিদের ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করে।

 

এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দুটি মোটরসাইকেলযোগে আনসার আল ইসলামের অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন সদস্য অবস্থান নেয়। এছাড়াও আদালতের আশপাশে অবস্থান করা অজ্ঞাতনামা আরও ১০/১২ জন আনসার আল ইসলামের সদস্য আদালতের মূল ফটকের সামনে অবস্থান করে। এরপর তারা পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

 

কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা তাদের কর্মকাণ্ডে বাধা দিলে আসামিদের মধ্যে কোনো একজন তার হাতে থাকা লোহা কাটার যন্ত্র দিয়ে কনস্টেবল আজাদের মুখে আঘাত করে।

 

তাদের ধরতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। দেশের প্রতিটই থানায় তাদের ছবি পাঠানো হয়েছে ও তাদের ধরিয়ে দেওয়ার জন্য পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।

 

একুশে সংবাদ.কম/ইট/জাহাঙ্গীর