ঢাকা রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২২, ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
ekusheysangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. পডকাস্ট

বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না: মোস্তাফা জব্বার


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৩:৪২ পিএম, ৭ অক্টোবর, ২০২২
বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না: মোস্তাফা জব্বার

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্র্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, বাংলাদেশ সৃষ্টির ৫১ বছরের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর সাড়ে তিন বছর এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাড়ে আঠারো বছরে বাংলাদেশের শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি হয়েছে। একাত্তরের পরাজিত শক্তি ও তাদের দোসরদের অশুভ তৎপরতা না থাকলে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা আরও বহুগুণ হতো। তিনি মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানসহ স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তির নতুন প্রজন্মকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য চলমান ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম সফল করতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

 

শুক্রবার (৭ অক্টোবর) ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা মহাজোট আয়োজিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে মুক্তিযোদ্ধা এবং সন্তান ও প্রজন্মের করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

 

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা মহাজোট‘র চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা  মো: মনিরুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে  সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর  জেনারেল ( অব)  অধ্যাপক ডা. মো: নাসির উদ্দিন এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা মহাজোট‘র মহাসচিব ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সালাউদ্দিন আহমেদ সালূ বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রকৌশলী মো: বেলায়েত হোসেন।

 

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেন, নতুন প্রজন্মকে বুঝতে হবে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের আদর্শ এবং আদর্শ বাস্তবায়নের যে প্রচেষ্টা সেটি কী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রচেষ্টায় সিক্রেট ডকুমেন্টসহ বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং এর প্রতিষ্ঠাতা বিষয়ে বিপুল তথ্য প্রকাশিত হয়েছে যা বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার বিস্তারিত তথ্য ওঠে এসেছে । বাঙালি জাতি দ্বিজাতিতত্ত্বে থাকলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না।

 

বঙ্গবন্ধুর উদ্ধৃতি থেকে  তুলে ধরে রাজপথে সাবেক ছাত্রলীগের এই লড়াকু সৈনিক বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ ভাষা আন্দোলনের ভিত্তি থেকে বাংলাদেশে গঠনের চিন্তা করেন। বঙ্গবন্ধুর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি  ভাষার ওপর প্রতিষ্ঠিত।

 

তিনি বলেন, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ নানা ধর্মের মানুষ  যারা এই ভূখণ্ডে বসবাস করে তারা প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে কিন্তু ধর্মকে নিয়ে রাষ্ট্রস্বত্ত্বাকে বিভাজন করে না বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। একাত্তরের যুদ্ধে জাতির বিরুদ্ধে কারা কাজ করেছে তারা সকলের চেনা। পঁচাত্তরের পর অশুভ শক্তি বাংলাদেশ রাষ্ট্রটিকে পাকিস্তান বানানোর অপতৎপরতা চালিয়েছে। জাতির সৌভাগ্য শেখ হাসিনা পঁচাত্তর পরবর্তী নানা নির্যাতন, দুর্ভোগ অতিক্রম করে যে লড়াই করেছেন, তার সে লড়াই ব্যক্তিজীবন থেকে রাষ্ট্রীয় জীবনে পৌঁছে যায়।

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘ সাড়ে আঠার বছরের অর্জনকে অবর্ণনীয় হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পাকিস্তান আজ দেউলিয়া হওয়ার পথে আর বাংলাদেশ আজ মাথা উচু করে উন্নত জাতি হওয়ার পথে। ডিজিটাইজেসনের হাত ধরে বাংলাদেশ অতীতের শত শত বছরের পশ্চাদপদতা অতিক্রম করে শিল্প যুগে প্রবেশ করেছে । কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক উন্নত দেশের চেয়েও ভাল করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

মহাজোট‘র চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা  মো: মনিরুল হক সরকারি চাকুরিতে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের জন্য কোটা বহাল রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সংসদ সদস্য মেজর  জেনারেল ( অব)  অধ্যাপক ডা. মো: নাসির উদ্দিন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

 

একুশে সংবাদ.কম/হ.ক.জা.হা