AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪৩২

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

৩ নভেম্বর বাবুল আক্তারের মামলায় নারাজি আবেদন শুনানি 


Ekushey Sangbad
একুশে সংবাদ ডেস্ক
০৩:০৫ পিএম, ২৭ অক্টোবর, ২০২১

৩ নভেম্বর বাবুল আক্তারের মামলায় নারাজি আবেদন শুনানি 

আগামী ৩ নভেম্বর মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের করা মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর নারাজি আবেদনের পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।  

বুধবার (২৭ অক্টোবর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ রহমানের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাবুলের আইনজীবী শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী। 

তিনি বলেন, আমরা আজ বাবুল আক্তারের পক্ষে এই মামলাতেই নারাজি দিয়েছি। আদালত আমাদের বক্তব্য শুনেছেন এবং গ্রহণ করেছেন। আগামী ৩ নভেম্বর মামলার পরবর্তী আদেশ দেবেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা আরেকটি আবেদন করেছি। এর আগে তদন্ত কর্মকর্তারা মিতুর বাবা ও মায়ের সাক্ষাৎকার নিলেও নথিতে সেটি রেকর্ড করেননি। সেই বিষয়টি জানার জন্য একটি আবেদন করেছি। এছাড়া এই মামলাতে ৫৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন। এই ৫৩ জনের মধ্যে দুই জন ছাড়া কেউ বাবুল আক্তারের নাম বলেননি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাঁচ বছর পরে দুই জন লোককে এনে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নিয়ে বাবুল আক্তারকে সম্পৃক্ত করেছেন। এটা সম্পূর্ণ বেআইনি। 

পাঁচ বছর পরে কোনো সাক্ষীর সাক্ষ্য আইনগতভাবে খুব বেশি গ্রহণযোগ্য বলে আমার কাছে মনে হয় না। আদালতের কাছে এসব বিষয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। আদালত সেই বিষয়টি গ্রহণ করেছেন। আমাদেরকে পরবর্তী আদেশের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আদেশ যেটাই হোক আমরা এগিয়ে যাব বলেও জানান আইনজীবী শেখ ইফতেখার।

গত ১৪ অক্টোবর মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের করা মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর নারাজি আবেদন করেছিলেন বাবুল আক্তার নিজে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ রহমানের আদালতে আবেদনটি করেন বাবুলের আইনজীবী শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী। তখন তিনি বলেছিলেন, আদালত ২৭ অক্টোবর বাবুল আক্তারের উপস্থিতিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে নারাজি আবেদনের বিষয়ে শুনানি হবে।

নারাজি আবেদনে বলা হয়েছিল বাবুল ষড়যন্ত্রের শিকার। তিনি এ মামলার বাদী ছিলেন। তাকে আসামি করতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরের নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম (মিতু)। ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রমের জন্য স্ত্রীকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। তবে দিন যত গড়িয়েছে মামলার গতিপথও পাল্টেছে। এক পর্যায়ে সন্দেহের কেন্দ্রবিন্দুতে আসে স্বামী বাবুল আক্তারের নাম। তদন্তে তার বিরুদ্ধেই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১১ মে ডেকে তাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। 

পরে ১২ মে স্ত্রী মাহমুদা খানম (মিতু) হত্যায় বাবুল আক্তারসহ আটজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। পিবিআই এ মামলার প্রধান আসামি বাবুল আক্তারকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। রিমান্ড শেষে প্রথমে আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার কথা থাকলেও জবানবন্দি দেননি বাবুল আক্তার। তারপর তাকে পাঠানো হয় চট্টগ্রাম কারাগারে।


একুশে সংবাদ/জা/তাশা

Link copied!