AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবার ১১৫ ডলার ছাড়াল


Ekushey Sangbad
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১১:২৩ এএম, ৩০ মার্চ, ২০২৬

বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবার ১১৫ ডলার ছাড়াল

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৬ ডলার ১০ সেন্টে পৌঁছেছে, যা একদিনেই প্রায় ৩ দশমিক ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

একই সময়ে ডব্লিউটিআই (WTI) ক্রুডের দাম ২ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০২ ডলার ৩০ সেন্টে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল হামলা এবং তার জবাবে ইরানের কঠোর হুঁশিয়ারির কারণে বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার জানিয়েছেন, মার্কিন সেনাদের জন্য তাদের বাহিনী ‘অপেক্ষা করছে’। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং হরমুজ প্রণালি খোলার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে সংঘাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের অংশগ্রহণ। তারা ইসরায়েলে হামলা চালানোর পাশাপাশি লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বাব আল-মানদেব প্রণালিতে প্রভাব বিস্তার করছে। এতে বৈশ্বিক তেল পরিবহন আরও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই রুট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্নের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে তেল-গ্যাস স্থাপনায় হামলার কারণে প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রে গড়ে প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম পৌঁছেছে ৩ দশমিক ৯৮ ডলারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতির সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়বে এশিয়ার দেশগুলোর ওপর, যারা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব ইতোমধ্যে শেয়ারবাজারেও পড়তে শুরু করেছে—জাপানের নিক্কি ২২৫ সূচক প্রায় ৪.৫ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি প্রায় ৪ শতাংশ কমেছে।

র‍্যাপিডান এনার্জির প্রেসিডেন্ট বব ম্যাকন্যালি সতর্ক করে বলেছেন, পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক অর্থনীতি মন্দার দিকে যেতে পারে। তার মতে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে গেলে তেলের চাহিদা কমে—আর সেটিই একমাত্র উপায় হতে পারে দাম কমার।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, যুদ্ধ শেষ হলেও দ্রুত তেলের দাম কমবে না। হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু হওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো মেরামতের ওপর বাজার স্থিতিশীলতা নির্ভর করবে।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!