চলতি আগস্টের শুরুতে রাশিয়ার পশ্চিমে অবস্থিত কুরস্ক অঞ্চলে হঠাৎ হামলা চালায় ইউক্রেনের সেনারা। এ সময় অঞ্চলটিতে ভারী অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করে দেশটির কয়েক হাজার সেনা।শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কুরস্কে আসা ইউক্রেনের ২ হাজার ৮৬০ সেনা নিহত হয়েছে। এছাড়া ধ্বংস করা হয়েছে ৪১টি ট্যাংক, ৪০টি সাজোঁয়া যান।
বিবৃতিতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরো জানিয়েছে, ইউক্রেনীয় বাহিনী ২৩টি ইনফ্রেন্টারি ফাইটিং যান, ২১৩টি সাজোঁয়া যুদ্ধযান, ১০২টি গাড়ি, চারটি ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী সিস্টেম, ছয়টি মাল্টিপল লঞ্চ রকেট সিস্টেম, দুটি পরিবহন এবং লোডিং গাড়ি, ২২টি ফিল্ড আর্টিলারি গান এবং তিনটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন হারিয়েছে।
এর আগে গতকাল কুরস্কের সুদঝা নামের একটি শহর দখল করার কথা জানান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তারা।
ইউক্রেনের সেনাপ্রধান ওলেক্সান্ডার স্রিসকি জানান, গত সপ্তাহে আকস্মিক অভিযান শুরুর পর তারা কুরস্কের ৩৫ কিলোমিটার ভেতরে প্রবেশ করতে পেরেছেন। এরমধ্যে ১ হাজার ১৫০ স্কয়ার কিলোমিটার অঞ্চল এবং ৮২টি এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন তারা।
স্রিসকি আরো জানান, সুদঝা শহরে সেনাবাহিনীর একটি প্রশাসনিক অফিস স্থাপন করা হয়েছে যেন সেখানে আইন ও শাসন বিরাজমান থাকে এবং সাধারণ মানুষ তার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পান।
সুদঝা শহরে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্যাস টার্মিনাল। এখান থেকে রাশিয়ার গ্যাস ইউক্রেন হয়ে ইউরোপে যায়। ধারণা করা হচ্ছিল, এই গ্যাস টার্মিনালটি দখল করার পরিকল্পনা ঠিক করেছে ইউক্রেনীয় সেনারা।
তবে আজ রাশিয়া জানাল কুরস্কে ইউক্রেনীয় বাহিনী ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে।
সূত্র: তাস নিউজ
একুশে সংবাদ/ এস কে
আপনার মতামত লিখুন :