ঢাকা রবিবার, ০১ আগস্ট, ২০২১, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৮

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
Janata Bank
Rupalibank

ফাঁকা শপিংমল গুলো, ফুটপাতে বিক্রির হিড়িক


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৫:১৯ পিএম, ১৯ জুলাই, ২০২১
ফাঁকা শপিংমল গুলো, ফুটপাতে বিক্রির হিড়িক

বরাবরই ঈদুল আজহায় পোশাকের চেয়ে কেনাকাটার মূল আকর্ষণ থাকে কোরবানির পশু। তবে অন্যান্য বারের তুলনায় এবারের ঈদে পোশাকসহ অন্যান্য সামগ্রীর চাহিদা নেই বললেই চলে। মূলত মহামারির আতঙ্ক আর লকডাউনে দেশবাসী অনেকটাই দিশে হারা। ফলে কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা নেই মার্কেটগুলোতে।

বিক্রেতারা বলছেন, গত দুই কোরবানির ঈদ থেকেই সুবিধা করতে পারছেন না তারা। ঈদের পর লকডাউন থাকায় গ্রামে চলে গেছে বেশিরভাগ মানুষ। আর যারা রাজধানীতে আছেন তাদের অধিকাংশই কিছু কিনতে হলে শপিংমল থেকে না কিনে ফুটপাতের ভাসমান দোকান থেকেই কিনছেন।

সোমবার (১৯ জুলাই) সরেজমিন দেখা গেছে, মিরপুর ১০, ২, ১ ও ১২ নম্বরসহ বেশ কয়েকটি এলাকার শপিংমলগুলোতে ভিড় নেই একেবারেই। কিছু দোকানে ক্রেতা থাকলেও বেশিরভাগ দোকানই ছিল ফাঁকা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই ঈদের মৌসুমে অন্য সময় যে স্বাভাবিক বিক্রি হয় এবার সেটুকুও হচ্ছে না।

মিরপুর ১২ নম্বরে আড়ংয়ের বিক্রয়কর্মী সোহাম বলেন, ‘ঈদে আড়ংয়ে বাড়তি চাপ থাকে। এবার সেটা নেই। যারা আসছেন তারা ঈদের কেনাকাটা না, রেগুলার কেনাকাটা করছেন।’

মিরপুর ১০ নম্বরে ফাহাদ কমপ্লেক্সের ব্যাগ বিক্রেতা রাশেদুল বলেন, ‘বিক্রি খুব একটা ভালো না। সাধারণ সময়ের মতোও বিক্রি হচ্ছে না। দোকান ভাড়া, কর্মচারীদের বেতন দেয়াই কঠিন হয়ে পড়েছে।’

মিরপুর ১০ নম্বরে শাহ আলী মার্কেট ঘুরে দেখা যায়- জুতা, জামা কাপড়ের দোকানে তেমন ভিড় নেই। তবে মোবাইল ফোনের দোকানে ক্রেতার আনাগোনা লক্ষ করা গেছে।

ফুটপাতে ক্রেতা বেশি সম্পর্কে তিনি বলেন, ফুটপাতে ক্রেতা বেশি থাকে। যারা মার্কেট থেকে কেনে তারা ফুটপাতে যায় না।

এদিকে মিরপুর ১০ ও ২ নম্বরের ফুটপাতের দোকানগুলোতে কিছুটা ভিড় দেখা গেছে। বিক্রি বাড়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বিক্রেতারা। কসমেটিকস বিক্রেতা রাসেল বলেন, ‘গত কয়েকদিনের তুলনায় আজকে বিক্রি ভালো। রোজার ঈদে যে মাল তুলেছিলাম সেগুলো তো বিক্রি করতে পারি নাই। এইবার কিছু বিক্রি হবে। ঈদের আগের রাত পর্যন্ত এমন বিক্রি থাকলে সব মাল বিক্রি হবে।’

এদিকে ফুটপাতে ক্রেতার ভিড় থাকায় সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাঁটাচলা করতে কষ্ট হচ্ছে। ফলে  বাধ্য হয়ে গাদাগাদি করে চলাচল করতে দেখা গেছে পথচারীদের।

একুশে সংবাদ/জা/তাশা