AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

ক্ষতির তুলনায় সহায়তা অপ্রতুল"তবুও স্বস্তি পেলেন ৭৫০ কৃষক



ক্ষতির তুলনায় সহায়তা অপ্রতুল

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় অতিবৃষ্টিজনিত জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে খাদ্য ও নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে তিন মাসব্যাপী সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে উপজেলার সাচনা বাজার ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাতে ১৫ কেজি চাল, নগদ ৩ হাজার টাকা এবং সহায়তা কার্ড তুলে দেওয়া হয়।ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, জলাবদ্ধতায় ফসলহানির শিকার ৭৫০ জন কৃষককে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।

সহায়তা বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন সাচনা বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুক মিয়া তালুকদার, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিলয় চন্দ্র কর, প্রশাসনিক কর্মকর্তা গুনেন্দ্র কুমার তালুকদার, যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য হাসান তালুকদার, ওসমান গণী ও নূরউদ্দিনসহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং উপকারভোগীরা।

সহায়তা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন কৃষক নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমার ছয় কিয়ার জমি জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেছে। ধান কাটতে পারিনি। এই সহায়তা পেয়ে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি। ৬৫ বছর বয়সী কৃষক রহিম উদ্দিন বলেন, অনেক কষ্ট করে চাষাবাদ করেছি।

জমি তলিয়ে যাওয়ায় বড় ক্ষতির মুখে পড়েছি। আজকের এই সহায়তা আমাদের জন্য কিছুটা হলেও আশার সঞ্চার করেছে।কৃষাণী রাণী দেবী বলেন, ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পরিবার নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। চাল ও নগদ অর্থ পেয়ে উপকার হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছি।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে চেয়ারম্যান মাসুক মিয়া তালুকদার বলেন, হাওরাঞ্চলের মানুষ প্রতি বছরই কোনো না কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হয়। এবার অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। তবে বরাদ্দের তুলনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা অনেক বেশি।তিনি জানান, ইউনিয়নে মোট ২ হাজার ৭৫০টি আবেদন জমা পড়ে।

যাচাই-বাছাই শেষে ১ হাজার ৫০০ জন কৃষকের তালিকা প্রণয়ন করা হলেও মন্ত্রণালয় থেকে ৭৫০ জনকে সহায়তার আওতায় আনা হয়েছে। ফলে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত অনেক কৃষক এবার সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।তিনি আরও বলেন, সীমিত বরাদ্দের কারণে সবাইকে সহায়তা দেওয়া সম্ভব হয়নি। এ জন্য ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। 

ভবিষ্যতে বরাদ্দ বৃদ্ধি পেলে আরও কৃষককে সহায়তার আওতায় আনার চেষ্টা করা হবে।বিতরণ শেষে গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে সরকার বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। কৃষি উৎপাদন সচল রাখতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দুর্ভোগ লাঘবে এ ধরনের সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!