শিক্ষার্থীদের জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে,বিনিময়ে চাই ভাল লেখা পড়া। সোমবার সকালে কোটচাঁদপুর সরকারি মডেল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আম উৎসবে এ কথা বলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের সভাপতি মিজ্ দীপা রানী সরকার।
তিনি বলেন,কোটচাঁদপুরে একটা সামাজিক ব্যধি আছে,সেটা হচ্ছে মাদক। তোমারদের কাছে আমার চাওয়া থাকবে, তোমরা ওই সব কোন সময় স্পর্শ করবে না। আর যারা করেন,তাদের সঙ্গে মিশবে না। তিনি আরো বলেন,আমাদের সময় মোবাইল ছিল না।
এ কারনে আমরা ভাল চাকুরী করতে পারছি। তা না হলে এখনকার মত মোবাইলের যুগ হলে ভাল চাকুরী পেতাম না। এ কারনে আমি তোমাদের বলবো। মোবাইল ব্যবহার করবে সীমিত সময়ের জন্য। তাও সেটা হতে হবে পড়া শোনা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মফিজুর রহমান বলেন,আম উৎসবের জন্য প্রতি বছর বিদ্যালয়ের আম গাছ গুলো দুই ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। এরমধ্যে এক ভাগ টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়। আর বাকি আম, আম উৎসবের কয়েক আগে পেড়ে রাখা হয়। তারপর সবাইকে নিয়ে এই উৎসব পালন করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় আজকের এই আম উৎসব। যেটা আমাদের জন্য খুবই আনন্দের ও গৌরবের। কারন আমরা প্রতি বছর এতগুলো শিক্ষার্থীদের হাতে এই তুলে দিতে পারি। এ বছর প্রতি শিক্ষার্থীকে ৭ টি করে আম তুলে দেয়া হয়।

এরপর বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে আমের প্লেট তুলে দিয়ে আম উৎসবের উদ্ভোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। পরে তিনি অন্যান্য শিক্ষার্থীদের জন্য রাখা আমের ঘর পরিদর্শন করেন। এদিকে আম উৎসবের আম হাতে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, কোটচাঁদপুর সরকারি মডেল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মফিজুর,সহকারী প্রধান শিক্ষক এমদাদুল হক,সহকারী শিক্ষক দিবস সিংহ,প্রশান্ত বিশ্বাস, সাজেদুর রহমান,আমিনুর রশিদ,সাবিকুর নাহার,সাবিনা ইয়াসমিন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

