AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

জীবননগরে রজনীগন্ধা ফুল চাষে লাভবান চাষিরা



জীবননগরে রজনীগন্ধা ফুল চাষে লাভবান চাষিরা

সুগন্ধি ফুল হিসেবে রজনীগন্ধার বেশ সুনাম রয়েছে। রাতে ফুটে সুগন্ধ ছড়ানোর কারণেই এ ফুলের নাম রজনীগন্ধা। বর্তমানে এটি একটি সম্ভাবনাময় ও লাভজনক ফুল চাষ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। জীবননগর উপজেলায় রজনীগন্ধা ফুল চাষ করে লাভবান হচ্ছেন অনেক চাষি।

রজনীগন্ধা দীর্ঘ সময় সুগন্ধ ছড়াতে পারে। তাই রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয়সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এই ফুলের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। এ কারণে বাজারে রজনীগন্ধা ফুলের চাহিদাও বেশ ভালো।

উপজেলার উথলী গ্রামে পাঁচ বিঘা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে রজনীগন্ধা ফুল চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষক আক্তারুজ্জামান যুদ্ধ।

সরেজমিনে দেখা যায়, সাদা ফুলে ছেয়ে গেছে পুরো রজনীগন্ধার বাগান। চারপাশে ছড়িয়ে পড়েছে ফুলের মিষ্টি সুবাস।

ফুল বাগানের পরিচর্যা ও দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা মহর আলী জানান, রজনীগন্ধা ফুল চাষে খরচ তুলনামূলক কম। এতে খুব বেশি সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয় না। একবার গাছ লাগালে সারা বছর ফুল পাওয়া যায়। রজনীগন্ধার স্টিক তুলে ফেললে সেখান থেকে আবার নতুন স্টিক গজায়।

তিনি জানান, মাত্র দেড় লাখ টাকার মতো খরচ করে ছয় মাসে প্রায় চার লাখ টাকার ফুল বিক্রি করা হয়েছে। এই বিক্রি সারা বছরই চলবে।

মহর আলী আরও বলেন, প্রথমদিকে স্টিক তুলে বিক্রি করা হয়েছে। বর্তমানে ঝরা ফুল বা পাপড়ি বিক্রি করা হচ্ছে। স্টিকের তুলনায় ঝরা ফুলের চাহিদা বেশি এবং তা বেশি লাভজনক। শুরুতে প্রতিটি স্টিক ১৫ থেকে ১৮ টাকা দরে বিক্রি করা হয়েছে এবং ঝরা ফুল প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে রমজান মাসে ফুলের চাহিদা ও দাম কম থাকায় আপাতত ফুল তোলা বন্ধ রাখা হয়েছে। ঈদের পর আবার ফুল তোলা শুরু হবে।

এ বিষয়ে আলমগীর হোসেন, জীবননগর উপজেলা কৃষি অফিস বলেন, রজনীগন্ধা ফুল চাষ করে অল্প সময়ে ভালো লাভ করা সম্ভব। এই ফুলের উৎপাদন খরচ কম এবং সারা বছরই বাজারজাত করা যায়।

তিনি বলেন, সুগন্ধি ছড়ানোর জন্য অনেকেই বসতবাড়ি ও অফিসে রজনীগন্ধার স্টিক সংরক্ষণ করে রাখেন। এছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠান, মালা, পুষ্পস্তবক, বেনী ও বাসরঘর সাজাতেও এ ফুলের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।

তিনি আরও জানান, জীবননগর উপজেলায় প্রায় ৫০ হেক্টর জমিতে রজনীগন্ধা, গাঁদা, গোলাপ ও চন্দ্রমল্লিকা ফুলের চাষ হয়েছে। ভবিষ্যতে ফুল চাষ আরও বাড়াতে কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।

 


একুশে সংবাদ/এ.জে

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!