AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

পদত্যাগে বাধ্য হলেন মাভাবিপ্রবি প্রক্টর ড. ইমাম হোসেন


Ekushey Sangbad
একুশে সংবাদ ডেস্ক
১১:৪৩ পিএম, ৮ এপ্রিল, ২০২৬

পদত্যাগে বাধ্য হলেন মাভাবিপ্রবি প্রক্টর ড. ইমাম হোসেন

গুরুতর অনিয়ম, অভিযুক্তদের রক্ষার অভিযোগ এবং প্রশাসনিক বিতর্কের জেরে শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন ড. মো. ইমাম হোসেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) প্রক্টর।

বুধবার (৮ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের চলতি দায়িত্বে থাকা রেজিস্ট্রার ড. সাজ্জাদ ওয়াহিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। একই সঙ্গে প্রক্টরিয়াল কমিটির জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সহকারী প্রক্টর মো. নান্নুর রহমানকে সাময়িকভাবে প্রক্টরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই নতুন প্রক্টর নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি প্রক্টরকে ঘিরে একাধিক অভিযোগ ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়, যা ধীরে ধীরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষে রূপ নেয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আওয়ামীপন্থী হিসেবে পরিচিত কিছু শিক্ষককে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রক্টর পরিকল্পিতভাবে ‘সেইফ এক্সিট’ নিশ্চিত করেছেন।

বিশেষ করে ৫ আগস্টের আন্দোলনের বিরোধিতাকারী সাবেক সহকারী প্রক্টর শাকিল মাহমুদ শাওনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে।

এছাড়া অভিযুক্তদের দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগও সামনে আসে, যার সঙ্গে পদত্যাগী প্রক্টরের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে দাবি শিক্ষার্থীদের। এসব ঘটনায় ক্ষোভ বাড়তে থাকলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, একাধিকবার লিখিত অভিযোগ দাখিলের চেষ্টা করেও তারা প্রশাসনের সহযোগিতা পাননি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তারা প্রক্টরের অপসারণ ও সংশ্লিষ্টদের শাস্তির দাবিতে আল্টিমেটাম ঘোষণা করেন।

দাবি আদায় না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে উদ্ভূত সংকট মোকাবিলা এবং আন্দোলনের চাপের মুখে প্রক্টর পদত্যাগ করেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রাজনীতি নিষিদ্ধ ক্যাম্পাসে তিনি নিজেকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত বলে পরিচয় দিতেন এবং অন্য শিক্ষকদের প্রতি অসম্মানজনক আচরণ করতেন। কর্মকর্তাদের সঙ্গেও তার আচরণ ছিল কঠোর। অনেক শিক্ষার্থীর দাবি, সংকটের সময়ে তাকে পাশে পাওয়া যেত না; বরং ছোটখাটো বিষয়ে অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ করতেন, যা তার স্বৈরাচারী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ।

 

একুশে সংবাদ/যাবিদ

Link copied!